সেনা হত্যায় জড়িতদের আটকের দাবি পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের নেতাদের

fec-image

রাঙ্গামাটিতে সেনা হত্যাকে শান্তি চুক্তির লঙ্ঘন অভিহিত করে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের আটক করে পার্বত্যবাসী বাঙালি ও উপজাতিয় জনগোষ্টির জানমাল ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলন

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০ টায় ঢাকাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক প্রতিনিধি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব এবং রাঙামাটি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মনিরুজ্জামান মনির।

সভায় পার্বত্য মন্ত্রণালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, তিন পার্বত্য জেলা প্রশাসন, কোর্ট কাচারি ও অন্যান্য অফিস আদালত থেকে দেশের অখন্ডতা, স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্ব বিরোধী উপজাতীয় সাম্প্রদায়িক আমলা ও কর্মকর্তাদেরকে অপসারণের দাবি জানানো হয়।

এতে বাঘাইছড়িতে উপজেলা নির্বাচন কর্মী ৮ জনকে হত্যার জন্য দায়ী সরকারি তদন্ত কমিটির সুপারিশ মোতাবেক বড়্ঋষি চাকমাকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে এবং হতাহতদেরকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে সন্তোষজনক সাহায্য প্রদানের দাবি জানানো হয়।

সভায় বক্তব্য রাখেন- সমঅধিকার নারী আন্দোলন, সমঅধিকার ছাত্র ও যুব আন্দোলন এবং সমঅধিকার শ্রমিক আন্দোলনের প্রতিনিধিরা।

নেতারা বলেন- মেয়াদোত্তীর্ণ পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদ এবং রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলা পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে অবিলম্বে নির্বাচন দিতে হবে। একটি মাত্র ভোটার তালিকা থাকবে এবং তার ভিত্তিতেই পাহাড়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। সভায় শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে সন্তুুলারমা এবং জেএসএস, ইউপিডিএফ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, হিল ওমেন ফেডারেশন ইত্যাদির অবস্থান পরিস্কার করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে মনিরুজ্জামান মনির বলেন- সন্তুু লারমারা শান্তি চুক্তি অমান্য করে পাহাড়ে আমাদের বীর সেনাবাহিনীর উপর এম্বুস চালাচ্ছে। গত ১৮ আগস্ট রাঙামাটি জেলার রাজস্থলি উপজেলায় কাপুরুষের মত হামলা চালিয়ে সকালে একজন সৈনিককে হত্যা ও আরেক জনকে গুরুতর আহত করে। একই দিন বিকালে একই স্থানে সেনাবাহিনীর টহলরত গাড়িতে হামলা করে একজন সেনা কর্মকর্তা ও একজন জওয়ানকে গুরুতর আহত করেছে। এতেই প্রমানিত হয় ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ইং সন্তুু লারমা এবং ৩০ হাজার বাঙালির খুনী শান্তি বাহিনীর গুন্ডারা সকল অস্ত্রসস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পন করে নি। শান্তি চুক্তির মূল আহবান ছিল বেআইনী অস্ত্র জমা প্রদান যা সন্তুু লারমারা অমান্য করে চলেছে। জাতি খুনী সন্তুু লারমাদের বিচার চায়।

বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, গত ৯ আগস্ট সন্তুু লারমা চক্র ঐ দিবসটি পালনের মাধ্যমে রাষ্টীয় ঘোষণাকে অসম্মান করেছে। এ জন্য জনসংহতি সমিতি ও তার সহচরদের বিচার দাবি করছি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

nine + 16 =

আরও পড়ুন