ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করতে মার্কিন সিনেটে নতুন উদ্যোগ


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর ক্ষমতা সীমিত করতে নতুন উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে মার্কিন সিনেট। দেশটর ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার জানিয়েছেন, এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহেই সিনেটে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে।
ইরানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন শুমার। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি “অত্যন্ত বিপজ্জনক” এবং এই সময়ে কংগ্রেসের সাংবিধানিক ভূমিকা পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি। এ লক্ষ্যে প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা খর্ব করতে একটি বিশেষ প্রস্তাব আনা হবে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাময়িকভাবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে এই বিরতিকে অনেক ডেমোক্র্যাট নেতা সম্ভাব্য বড় সংঘাতের পূর্বাভাস হিসেবে দেখছেন।
সংকটের সূত্রপাত ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি থেকে। তিনি তেহরানকে হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেন এবং তা না মানলে বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দেন। তার এ বক্তব্য আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।
এর আগে ট্রাম্পের সামরিক পদক্ষেপ সীমিত করতে সিনেটে একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হলেও তা পাস হয়নি। এতে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে বিভাজন ও দ্বিমুখী অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে বিশ্লেষকদের মত।
চাক শুমার এই সংঘাতকে “উন্মাদনা” বলে উল্লেখ করে বলেন, দীর্ঘদিনের এই নীতির ফলে ইরানের শক্তি কমেনি, বরং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি আরও জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে।
অন্যদিকে, হোয়াইট হাউস দাবি করে আসছে যে, কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে প্রেসিডেন্টের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ আইনি অধিকার রয়েছে। তবে এই দাবিকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে।

















