পার্বত্য এলাকায় সংঘাতময় পরিস্থিতি মোকাবেলায় আস্থার সাথে কাজ করতে হবে: সাঈদ তারিকুল হাসান
পার্বত্য এলাকায় সংঘাতময় পরিস্থিতি মোবাবেলায় আস্থার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান। তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা উন্নয়নে পুলিশের পাশাপাশি জনগণকেও এগিয়ে আসতে হবে।
বৃহস্পতিবার সকালে কাউখালী থানায় অনুষ্ঠিত ওপেন হাউস ডে ও কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ নীলু কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী, কাউখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান চৌচামং চৌধুরী, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আখতার, সহকারী পুলিশ সুপার সদর সার্কেল চিত্ত রঞ্জন পাল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবির, কাউখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এ্যানি চাকমা, মংসুউ চৌধূরী, কলমপতি ইউপি চেয়ারম্যান ক্যজাই মারমা, বেতবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সামশুদোহা চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কালামিয়া মেম্বার, ফজলুল হক মাষ্টার ও ইউপি সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন।
তিনি বলেন, অপরাধী ও মাদকের সাথে কোন প্রকার আপোষ করা হবেনা। অপরাধীদের চিহ্নিত এবং মাদকের ব্যবহার রোধে পাহাড়ী বাঙালী সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। এসব সামাজিক কাজে সকলকে সম্পৃক্ত করতে পারলে যে কোন সমস্যার সমাধান করা সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া সৃষ্ট কোন প্রকার গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত ঘঠনা সংস্লিষ্ট প্রশাসনকে অবহিত করার আহবান জানান।
প্রধান অতিথি আরো বলেন, পার্বত্য এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করার জন্য একটি মহল বিভিন্ন সময় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টায় লিপ্ত থাকে। এসব মহল যাতে কোন প্রকার অঘটন ঘটাতে না পারে তার জন্য পার্বত্য এলাকায় অন্যান্য বাহিনীগুলোর সাথে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনতে পুলিশের পক্ষ থেকে যতটুকু কঠোর হওয়া প্রয়োজন তার সবটুকুই করা হবে।
সমাবেশ শেষে কমিউনিটি পুলিশের ২৫ সদস্যদের মধ্যে মোবাইল ফোন, টর্চলাইট ও ছাতা পুরস্কার হিসেবে প্রদান করা হয়।


















