মানিকছড়িতে স্ত্রীর লাশ উদ্ধার: স্বামী পলাতক
নিজস্ব প্রতিনিধি:
মানিকছড়ির বড় ডলু এলাকায় ২ সন্তানের জননী দেলোয়ারা বেগমকে (৫০) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘরে তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে স্বামী মোরশেদ আলম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়ডলু গ্রামের মরহুম আবদুল জব্বারের মেয়ে দেলোয়ারা বেগমকে ৩৫ বছর আগে সরকারি চাকুরীজীবী (৪র্থ শ্রেণি) মো. মোরশেদ আলম বিয়ে করে ঘর সংসার করছিল। তাদের সংসারে শিউলী আক্তার (৩০) ও মো. সোহেল (২৬) নামের দুজন সন্তান রয়েছে। তারা উভয়ে বিবাহিত হলেও বসবাস জেলা সদর ও দীঘিনালায়।
দু-এক বছর আগে মো. মোরশেদ আলম অবসর গ্রহণ করে এলাকায় এসে নিজ ভূমিতে ঘর তৈরি করে স্বামী-স্ত্রী বসবাস করছিল।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ প্রতিবেশিরা তাদের নড়াচড়া না দেখে বাড়িতে খোঁজ করতে আসেন। এ সময় ঘরের বাহিরে তালা ঝুলতে দেখে সন্দেহ হয়। পরে ঘরের পিছনের দিকে গিয়ে জানালা খোলা দেখে ঘরে সকলের নজর পড়ে।
এ সময় মহিলার নিথর দেহ দেখা যায়। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানালে থানার এস.আই মো. মকবুল আহম্মদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসীদের সামনে পুলিশ তালাবদ্ধ ঘরের দরজা ভেঙে একটি কক্ষে থেকে মহিলার নিথর দেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।
তবে স্বামী মো. মোরশেদ আলম পালিয়ে থাকায় এবং নিহতের মুখে রক্তের নমুনা থাকায় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এদিকে নিহতের ছেলে ও মেয়ে মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে মানিকছড়ির উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসআই মো. মকবুল আহম্মদ জানান, বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। আইনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।



















