মেসি সবার সেরা কিন্তু মেসির চোখে সেরা কারা ?

fec-image

আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি তিনি নিজেই একজন জীবন্ত কিংবদন্তি। আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসি, যিনি বিশ্বের কোটি কোটি ভক্তের কাছে ‘সর্বকালের সেরা’। এবার তিনি নিজেই জানালেন তার চোখে অন্য খেলাগুলোর সেরা ক্রীড়াবিদ কারা। তবে ফুটবলের ক্ষেত্রে তার হৃদয়ে সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছেন এক জনই, তিনিও আর্জেন্টাইন তথা বিশ্ব ফুটবলের কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা।

আমেরিকান সংবাদমাধ্যম এনবিসি নাইটলি নিউজ–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসি বলেন, ‘আমাদের আর্জেন্টাইনদের জন্য ম্যারাডোনা ছিলেন সর্বোচ্চ অনুপ্রেরণা, সর্বোচ্চ শ্রদ্ধার প্রতীক। ছোটবেলায় আমি তাঁকে সরাসরি খেলতে দেখেছি। ডিয়েগো সব কিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন’।

২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পরও সেই আবেগ মেসির কণ্ঠে প্রকাশ পেয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম, ডিয়েগো যেন এই কাপটা আমাকে দেন। অন্তত এই সাফল্যটা যেন তাঁর চোখে দেখতেন। কিন্তু আমি জানি, ওপর থেকে তিনি আমাদের সঙ্গে ছিলেন’।

ফুটবলের গণ্ডি পেরিয়ে অন্য খেলাতেও যাদের তিনি প্রেরণা এবং সেরা মনে করেন, তাঁদের কথাও খোলামেলাভাবে বলেছেন ইন্টার মায়ামির এই তারকা। মেসি বলেন, ‘বাস্কেটবলে অবশ্যই মাইকেল জর্ডান আমার প্রিয়। আর টেনিসে আমি ভীষণ শ্রদ্ধা করি রজার ফেদেরার, রাফায়েল নাদাল আর নোভাক জকোভিচকে’।

তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘এই তিনজন টেনিসকে এক ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে সেরাদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তাঁদের খেলাকে আরও মহিমান্বিত করেছে। আর বাস্কেটবলে লেব্রন জেমস ও স্টিফেন কারির মতো খেলোয়াড়দেরও আমি গভীর শ্রদ্ধা করি—প্রত্যেকে নিজেদের খেলায় সাফল্য এনেছে’।

২০২২ সালে রজার ফেদেরার অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর মেসি ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘টেনিস ইতিহাসের এক অনন্য প্রতিভা, যিনি যেকোনো ক্রীড়াবিদের জন্য অনুপ্রেরণা। আমরা তোমাকে কোর্টে দেখতে মিস করব’।

এর কিছুদিন পর মেসি ও তাঁর পরিবার মায়ামি ওপেনে হাজির হন, যেখানে নোভাক জকোভিচ গ্রিগর দিমিত্রভকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠেন। ম্যাচ শেষে দুই তারকা আলিঙ্গনে মেতে ওঠেন এবং একে অপরকে উপহার দেন স্বাক্ষরিত জার্সি। জকোভিচ পরে বলেন, “মেসিকে সামনে থেকে দেখে খেলাটা সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা। আমরা দুজনই ১৯৮৭ সালে জন্মেছি—তাঁর উপস্থিতি আমার কাছে সম্মানের’।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: আর্জেন্টিনা, ক্রীড়াবিদ, তারকা ফুটবলার
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন