রামুতে নিহত ডাকাতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর
রামু প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের রাবারবাগান এলাকায় সম্প্রতি সময়ে ডাকাতির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করত সাধারণ লোকজন। এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ওই এলাকায় আইনশৃংখলা বাহিনীর টহলও জোরদার করা হয়েছিল। তবুও ডাকাতরা থেমে থাকেনি। আইনশৃংখলা বাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে ডাকাতি সংঘটিত করে যাচ্ছিল প্রতিনিয়ত।
সর্বশেষ গত রোববার রাত পৌনে ৯ টার দিকে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের রাবার বাগান এলাকায় সশস্ত্র ডাকাতের সাথে পুলিশের গুলি বিনিময় হয়। এতে বন্দুকযুদ্ধে এক ডাকাত নিহত হয় এবং ডাকাতের গুলিতে রামু থানার এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই)সহ ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু’টি এলজি, ৪ রাউন্ড গুলি ও ৩টি গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।
নিহত ডাকাত ফরিদুল আলম (৩৩) রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের নন্দাখালী গ্রামের উত্তর পাড়া এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ। জানা যায়, রোববার রাতে রামু উপজেলার কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের রাবার বাগান এলাকায় রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির প্রস্ততি নেয় সশস্ত্র ডাকাত দল। রামু থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মিল্টনের নেতৃত্বে টহল দল ডাকাত প্রবণ এলাকায় পৌঁছলে সশস্ত্র ডাকাতদল যাত্রীবাহী সিএনজি মনে করে পুলিশের উপর হামলা চালায়।
পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ডাকাত মারা যায়। এ সময় ডাকাতের গুলিতে রামু থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক মিল্টন দে, কনস্টেবল সুমন চৌধুরী, রুপায়ন বড়ুয়া ও আনসার সদস্য লাল্টু মিয়া।
রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আপ্পেলা রাজু নাহা জানান, ডাকাতেরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ করে বেপরোয়াভাবে গুলি চালায়। এ সময় ডাকাতের গুলিতে রামু থানা পুলিশের সহকারী উপ পরিদর্শক (এ এস আই) মিল্টন বড়ুয়া বাম হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আরো চার কনস্টেবল ও আনসার সদস্য আহত হয়েছেন এ ঘটনায়।
এ ঘটনায় অজ্ঞাত নামা দশ-বার জনের বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, ডাকাতি প্রস্তুতি ও পুলিশ আক্রমণের তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং নিহত ডাকাতের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে তার বাবার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


















