মাটিরাঙ্গায় ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ইউপিডিএফ (মুল) কর্তৃক সাধারণ শ্রমিকের উপর গুলি বর্ষণ এর প্রতিবাদে ভিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে
পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।
রবিবার ২১ জুন দুপুরে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, অঙ্গ ও সহযোগী সংঠন কর্তৃক আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে নাগরিক পরিষদ মাটিরাঙ্গা উপজেলা শাখার সভাপতি রবিউল হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পিসিএনপির মাটিরাঙ্গা পৌর শাখার সিনিয়র সভাপতি ওসমান চিশতি।
এতে অন্যন্যদের মাঝে পার্বত্য চট্টগ্রাম যুব পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সভাপতি জালাল আহাম্মেদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখার সাবেক সভাপতি সুমন আহাম্মেদ,পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা সভাপতি মুজাহিদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ,মাটিরাঙ্গা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এস এম হেলাল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙ্গালী হত্যা ও গুমের বিচার হয়নি উল্লেখ করে বক্তরা বলেন, পাহাড়ের আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনে কর্তৃক ১৯৮৬ সালের পর থেকে অনেক বাঙালী হত্যা ও গুমের শিকার হয়েছে। মাটিরাঙ্গায় ৩ ব্যাবসায়ী গুমের প্রায় ১দশক অতিবাহিত হলেও আজো কোন হদিস পাওয়া যায়নি।
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যদি দোষীদের বিরুদ্ধে আইননাুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় ৩ পার্বত্য জেলা অচল করে দেয়া হবে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন বক্তারা।
পাহাড়ে বাঙালিরা প্রতি মূহুর্তে শোষিত হচ্ছে উল্লেখ করে বক্তারা আরো বলেন, ব্যবসা বাণিজ্য করতে হলে মাটিরাঙ্গায় চার গ্রুপকে চাঁদা দিতে হয়। সেই চাঁদার টাকায় কিনা অস্ত্র দিয়ে বাঙালিদের উপর গুলি চালানো হয়। এ সব চাঁদাবাজি বন্ধে পার্বত্য চট্টগ্রাম হতে প্রত্যাহারকৃত সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের জোর দাবি জানান বক্তারা।
উল্লেখ্য, গত শনিবার ২০ জুন রাতে মাটিরাঙ্গা মুসলিমপাড়া গ্যাস পাম্প সংলগ্ন এলাকায় জাহাঙ্গীর আলম (৩৮) নামক এক শ্রমিকের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপ সমর্থিত সন্ত্রাসীদের দায়ী করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ ও তার সহযোগি সংগঠন।
















