রামগড়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ডিজি’র পরিদর্শন

`‌‌‌‌‌‌‍পার্বত্য এলাকার উপযোগী আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিল্পনা নেয়া হচ্ছে’

fec-image

পার্বত্য এলাকার উপযোগী করে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্প আশ্রয়ণের গৃহ নির্মাণের পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার। সারা দেশের ন্যায় একই মডেলে পার্বত্য চট্টগ্রামেও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের ফলে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎবিহীন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাভাবিকভাবে পানীয় জলও পাওয়া যায়না।

এতে ওইসব এলাকায় নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের গৃহে বসবাসকারী পরিবারগুলো নানা সমস্যার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। এছাড়া সমতল জেলার মত পার্বত্য এলাকাও একই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয় । অথচ গাড়ি চলাচলের সুবিধাবিহীন দুর্গম এলাকায় নির্মাণ সামগ্রী কাঁধে বহন করে পৌঁছাতে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় হয়। এতে গৃহ নির্মাণ করতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হয়। এসব সমস্যার কথা বিবেচনা করে পার্বত্য এলাকার উপযোগী করে আশ্রয়ণ প্রকল্প নেয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার।

শুক্রবার(১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক(প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি খাগড়াছড়ির রামগড়ে আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মিত গৃহ এবং নির্মাণাধীন গৃহ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ইতিমধ্যে হাওর এলাকাসহ বিশেষ এলাকায় ওখানকার উপযোগী করে আশ্রয়ণ প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভূমি ও গৃহহীনদেরকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। পরবর্তীতে যাদের ভূমি আছে কিন্তু ঘর নাই তাদেরকে প্রকল্পের আওতায় এনে গৃহ নির্মাণ করে দেয়া হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশের একজন পরিবারও গৃহহীন থাকবে না। সবাইকে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘর উপহার দেয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শণের উদ্দেশ্যে ৪ দিনের সফরের প্রথম দিনে প্রধানন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি শুক্রবার রামগড়ের পাতাছড়া ইউনিয়নের দুর্গম এলাকা আসেন তিনি। এসময় তিনি দিত্ত কুমার কারবারি পাড়ায় সাতটি ঘরের নির্মাণ কাজ ও পাতাছড়ায় হস্তান্তরিত দুই পরিবারের ২টি ঘর পরিদর্শণ করেন।

রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: নজরুল ইসলাম ও পাতাছড়া ইউপি চেয়ারম্যান কজী নুরুল আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউএনও খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত জানান, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় রামগড়ে ১ম, ২য় ও ৩য় পর্যায়ে ২৭০টি ভূমিহীন ওও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতক জমিহ ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়ছে। বর্তমানে ৩য় পর্যায়ে আরও ৭০টি গৃহের নির্মাণ কাজ চলছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

16 − nine =

আরও পড়ুন