খাগড়াছড়ি শহরের ফুটপাত দখলদারদের কবলে, জনদূর্ভোগ চরমে

fec-image

খাগড়াছড়ি পৌর শহরের অধিকাংশ সড়কের ফুটপাত এখন অবৈধ দখলদারদের দখলে। ফুটপাত দখল করে ফার্ণিচার, রড, সিমেন্ট ও টিনসহবিভিন্ন পণ্যসামগ্রী ফেলে রাখছে রাস্তার দুপাশ।

সড়কের উপর বসছে বাজার। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারীদের। শুধু তাই নয়, এতে করে পর্যটন শহর খাগড়াছড়ির সৌন্দর্যও নষ্ট হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ পথচারীরা।

খাগড়াছড়ি পৌরশহরের মিলনপুর সড়ক, আদালত সড়ক, শহীদ কাদের সড়ক, মসজিদ রোড, কলেজ রোড, পানখাইয়া পাড়া সড়ক, শুটকি পট্টিসহ বিভিন্ন ফুটপাত,যা এখন একশ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীদের দখলে। শহীদ কাদের সড়ক ও মসজিদ রোর্ডে আবারও তারা ব্যবসা পেতে বসে। এসব জায়গায় সড়কের উপর বিভিন্ন পণ্যসামগ্রী রেখে চলছে বেচাকেনা। মাঝে মধ্যে বাজারের মধ্যে ট্রাক রেখে খালাস করা হচ্ছে মালামাল। কলেজ রোড সড়কের দু‘পাশে অসংখ্য ট্রাক, মিনিট্রাক, পিকআপ, চাদের গাড়ি জীপ ও সিএনজিসহ গাড়ি পার্কিং করে দিনের পর দিন দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এতে সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজটের। ফুটপাতে হাঁটতে পারছেন না পথচারীরা। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ পথচারীরা।

মিলনপুর সড়কে পুরো ফুটপাত ফার্নিচার ব্যবসায়ীদের দখলে। ফুটপাতের উপর চলে ফার্ণিচার ঘষামাঝা। ফুটপাত দখল খাগড়াছড়ি পৌরবাসীর জীবনে যেন নেমে এসেছে অভিশাপ। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। ফুটপাত দখলে থাকার কারণে সব চেয়ে সমস্যায় পড়ছে স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। এসব সড়কে চলাচলকারী শিক্ষার্থীরাও সময়মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসা করছে পারছে না।

ঔষধ ব্যবসায়ী মৃদুল দেবনাথ বলেন, ফুটপাত দখলে থাকার কারণে সব চেয়ে বেশি সকালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা।

খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবি এডভোকেট সুপাল চাকমা বলেন, ফুটপাত দখলের থাকার কারণে পথচারী সীমাহীন দূভ্যোগের শিকার হচ্ছে ।

পাহাড়ের মানুষ বিভিন্ন কৃষিপণ্য মাথায় করে বাজারে আসে। কিন্তু ফুটপাত দখলে থাকার কারণে তারা দুঘর্টনার শিকার হচ্ছে ।

তবে খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, আগামি জুনের মধ্যে খাগড়াছড়ি পৌরশহর ফুটপাত মুক্ত করা হবে।

খাগড়াছড়ি শহরকে ফুটপাতমুক্ত ও পথচারী চলাচল নিরাপদ করতে পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিবে এ প্রত্যাশা শহরবাসীর।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: খাগড়াছড়ি, চরমে, জনদূর্ভোগ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন