টেকনাফে অস্ত্রসহ ৬ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী আটক


কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকসহ ৬ সশস্ত্র রোহিঙ্গা সন্ত্রসীকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।
সোমবার (২ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত উপজেলার হ্নীলা রঙ্গীখালী এলাকার নাফ নদীতে অবস্থিত শুঁয়ার দ্বীপে দীর্ঘ ৯ ঘণ্টার শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত আসামিরা হলেন, মো. ইব্রাহিম (২৩), মো. আরিফ (৩৩), মো. মাহমুদুর রহমান (১৮), মো. আমিন (৩৩), মো. কানিজ (২৪) ও মো. নবী হোসেন (২৮)।
অভিযানে উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে বিদেশি পিস্তল ২টি, একনলা বন্দুক ৩টি, এলজি ২টি, শর্ট গান ১টি, দেশি পিস্তল ৬টি, ম্যাগাজিন ৪টি, তাজা গোলা ৪৫০ রাউন্ড, ফাঁকা গোলা ৩৬ রাউন্ড, রামদা ৪টি, ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত (সেনাবাহিনী সদৃশ) পোশাক ৭টি, হ্যান্ডকাফ ১টি। এ ছাড়া অভিযানে ১টি ল্যান্ড ফোন, বাটন মোবাইল ৪টি, ২০ হাজার পিস ইয়াবা, ২১ বোতল মদ ও ৫৫১ ক্যান বিয়ারও উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) কোস্ট গার্ড বাংলাদেশের গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন জানান, আটক ৬ জন রোহিঙ্গা ডাকাত বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক।
তিনি জানান, শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনায় ফিশিং বোটে ডাকাতির প্রস্তুতির সংবাদ পেয়ে সোমবার দুপুর ১টায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে কোস্ট গার্ড। এক পর্যায়ে ডাকাত দল তাদের বোটটিসহ নাফ নদী দিয়ে টেকনাফের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এ সময়ে কোস্ট গার্ডের দুটি আভিযানিক দল ধাওয়া করলে ডাকাত দলের সদস্যরা বোট থেকে নেমে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গীখালী সংলগ্ন নাফ নদীতে অবস্থিত শুয়াঁর দ্বীপের বনে লুকিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে দ্বীপের চারপাশে তল্লাশি চালিয়ে ৬ জন রোহিঙ্গা ডাকাত ও বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যসহ আটক আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা রুজু করা হবে বলেও জানান লে. কমান্ডার আবদুর রহমান।

















