তরুণরাই গড়বে আগামীর বাংলাদেশ


“আসুন একসাথে দেশ গড়ি” এই স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)’র অন্যতম সহযোগী সংগঠন নব-গঠিত বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংহতি। জাতীয় যুব সংহতি চকরিয়া উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মৌলভীরকুম বাজারস্থ এটিএন পার্ক কনভেনশন হলরুমে পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ।
বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংহতি, কক্সবাজার জেলার সদস্য সচিব মোহাম্মদ মুরাদ হাসানের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রসমাজ কক্সবাজার জেলার সদস্য সচিব ইমতিয়াজ হোসেন আকিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস মাতব্বর, বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংহতি কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক হারুন-অর-রশিদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক ইঞ্জিনিয়ার শাহেদুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কক্সবাজার জেলা শাখার আহবায়ক এস.এম. ফয়সাল মাহমুদ, বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংহতি কক্সবাজার জেলা আহ্বায়ক ইয়াছিন মান্নান পিয়াস, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ শাহিন, বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রসমাজ, কক্সবাজার জেলা আহবায়ক মোহাম্মদ হানিফ, বাংলাদেশ জাতীয় যুব সংহতি চকরিয়া উপজেলা শাখার নব-নির্বাচিত আহবায়ক মোহাম্মদ হোসাইন (পুতু), সদস্য সচিব ওসমান গণি ও সাঈদী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেন, দেশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে খুনি ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিতাড়িত করা হয়। আওয়ামী লীগ সরকার এই দেশকে দীর্ঘ ১৭ বছরে নরকে পরিণত করেছে। দেশের মানুষের কোন ধরণের নিরাপত্তা ছিলনা। মানুষ সব সময় আতঙ্কে থাকতো। এদেশের রাজনৈতিক নেতা ও আলেম ওলামাদের একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে কারাগারে বন্ধি করে রেখেছিল। মানুষ কথা বলার বাক-স্বাধীন হারিয়ে ফেলেছিল। ৫ আগস্টের পর থেকে আওয়ামী লীগের কোন নেতাকর্মী আজ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের অপকর্মের কারণে দেশের জনগণ আজ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। এই দেশের মাটিতে আর আওয়ামী লীগের কোন জায়গা নেই। খুনি স্বৈরচার হাসিনা পালালেও তার দোসররা প্রতিটি রন্দ্রে রয়ে গেছে। দেশের ব্যাংক খাতকে ধ্বংস করে দিয়েছে। যারা দূর্নীতি করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করে টাকা লুট করে বিদেশের মাটিতে পালিয়েছে, এসব টাকা দ্রুত দেশে ফেরত আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগসহ যেসব দল জুলাই-আগস্টের গণহত্যায় জড়িত বা সমর্থন করেছে, তাদেরও সংবিধানে সংযোজনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। না হলে সামনে আবার এ ধরনের রাজনৈতিক দলের উত্থান হতে পারে। মানুষের জন্য সংবিধান, সংবিধানের জন্য মানুষ নয়। ভবিষ্যতে যারাই দেশের ক্ষমতায় আসুক, তাদের আওয়ামী লীগের পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
আগামীর বাংলাদেশ হবে তারণ্যে নির্ভর, অনুন্নত ও বৈষম্যেহীন বাংলাদেশ। দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও সুখী সমৃদ্ধ উন্নত ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হোক বিজিপি’র অঙ্গীকার। তরুণরাই গড়বে আগামীর বাংলাদেশ। আসুন এক সাথে দেশ গড়ি’ এ শ্লোগানে শান্তির বাংলাদেশ বির্নিমান গড়ে তুলি।

















