পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কিছু রোহিঙ্গাকে রাখাইনে পাঠানো হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী


পরীক্ষামূলকভাবে কক্সবাজারে আশ্রিত রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মানুষদের চীনের মধ্যস্থতায় মিয়ানমারের রাখাইনে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞের বিরোধিতা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি একটি ট্রায়াল এবং এর মাধ্যমে খুব ছোট আকারে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কিছু রোহিঙ্গাকে রাখাইনে পাঠানো হবে। সেখানে অস্বস্তিবোধ করলে, তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার সুযোগ রয়েছে। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষামূলক এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই।
রোববার (১১ জুন) ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শাহরিয়ার আলম বলেন, রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় যাচ্ছেন, এটি দেখার জন্য জাতিসংঘের সঙ্গে একটি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেটি বলবৎ আছে। তবে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার কাছ থেকে সনদ নিয়ে রোহিঙ্গাদের যেতে হবে, এ ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরানোর বিভিন্ন প্রচেষ্টা সম্পর্কে জাতিসংঘকে অবহিত রাখা হয়েছে।
জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক র্যাপোর্টিয়ার টম অ্যান্ডুরস রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর পরীক্ষামূলক প্রকল্প বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশকে আহ্বান জানিয়েছেন, এ বিষয়ে শাহরিয়ার আলম বলেন, তাঁর কার্যক্রম মিয়ানমারের মধ্যে সীমিত থাকা উচিত। তিনি যাতে পরিস্থিতি ভালোভাবে বুঝতে পারেন, সে বিষয়ে সহায়তা করার জন্য তাঁকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি কক্সবাজার ঘুরে গেছেন। টম অ্যান্ডুরস বাংলাদেশকে জড়িয়ে যা বলছেন, যে ভাষায় বলছেন, তা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশের প্রচেষ্টাকে খাটো করে, অসম্মান প্রকাশ করে। সরকার এ বিষয়টি জাতিসংঘে জানাবে। সূত্র: আজকের পত্রিকা

















