পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন


রাঙামাটিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোটারদের ভোট দিতে দেখা যায়।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শহরের পিডিবি রেস্ট হাউজে ভোট দেন ২৯৯ আসনের নৌকার প্রার্থী দীপংকর তালুকদার।
এছাড়াও অন্যান্য প্রার্থীরা নিজেদের এলাকায় ভোট প্রদান করেছে এবং কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই নির্বাচন শেষ হয়েছে।
রাঙামাটির কাউখালী উপজেলার কয়েকটি এলাকায় সাধারণ ভোটারদের ভোটদানে বাঁধা প্রদান করছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ। রোববার দুপুরে এমন অভিযোগ করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অংসুই প্রু চৌধুরী।
তিনি বলেন, উপজেলার কলাপাড়া, নিম্ন কচুছড়ি, বরমাছড়ি, পানছড়ি, নাভাঙ্গা এলাকার সাধারণ ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে এবং ভোট প্রদানে বাঁধা প্রদান করছে সন্ত্রাসীরা। বরমাছড়িতে নির্বাচন কর্মকর্তাদের খাবারের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনার জন্য তিনি ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট প্রসীত গ্রুপকে (ইউপিডিএফ) দায়ী করেছেন।
এদিকে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের কোন প্রভাব ছিলো না রাঙামাটিতে।
রাঙামাটির পুরো জেলায় ২১৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, এক হাজার ১২১ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, দুই হাজার ২৪২ জন পোলিং অফিসার নির্বাচন পরিচালনার কাজে নিয়োজিত ছিলেন।
জেলার এবার মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ২১৩ টি। এরমধ্যে রয়েছে ১৮টি হেলিসর্টি ভোটকেন্দ্র।
নির্বাচন শান্তিপূর্ণ অনুষ্ঠিত করার লক্ষে ২৪ প্লাটুন সেনাবাহিনী, বিজিব ৩৬ প্লাটুন, র্যাব ১ প্লাটুন এবং প্রত্যেক উপজেলায় পর্যাপ্ত আনসার সদস্য সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
রাঙামাটি জেলার ২৯৯ একটি আসনে লড়ছেন আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে দীপংকর তালুকদার, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট সমর্থিত প্রার্থী ছড়ি প্রতীক নিয়ে অমর কুমার দে এবং তৃণমূল বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সোনালি আঁশ প্রতীক নিয়ে মো. মিজানুর রহমান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটির দশ উপজেলায় মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৪৫৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ৪৭ হাজার ৪১৬ এবং নারী ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৮ জন।

















