মানবাধিকার কমিশন চেয়ারম্যানের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ
ডেস্ক নিউজ:
গত বুধবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনের ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস সিচুয়েশন অব ইন্ডিজেনাস পিপলস অব বাংলাদেশ নামের একটি প্রতিবেদনের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে মিজানুর রহমান বলেন, আদিবাসী না বলাটা আইনের লঙ্ঘন। তার এ ধরনের সংবিধান পরিপন্থি বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা শাখা।
পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলা সভাপতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও সাধারণ সম্পাদক মো: আলমগীর হোসেন এক যৌথ বিবৃতিতে আরো বলেন, মানবাধিকার কমিশনের মত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার চেয়ারম্যান পদের থেকে সংবিধান পরিপন্থী বক্তব্য যা দেশের মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। যেখানে সরকার বলেছে বাংলাদেশে কোন আদিবাসী নেই সেখানে এই আধিবাসী ধুয়া তুলে পার্বত্য চট্রগ্রামের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে যা উদ্দেশ্যে প্রনোদিত। এ অবস্থার মধ্যে সরকার নিরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। যা পার্বত্য অঞ্চলকে জুম্ম ল্যান্ড প্রতিষ্ঠার একধাপ এগিয়ে নিয়েছে বলে মনে করে বিজ্ঞমহল।
প্রতিবেদনটিতে আরো বলা হয়, ২০১২ সালের মার্চ মাস থেকে ২০১৩ জুন মাস পর্যন্ত আদিবাসী নারীদের উপর সহিংসতার ঘটনা ঘটে ৪৫টি, ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে আদিবাসীদের উপর ১২টি মানবাধিকার লংঘনের ঘটনা ঘটেছে বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু অতন্ত্য দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, একই সময়ে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙ্গালী নারীদের উপজাতীয় সন্ত্রাসীকর্তৃক গনধর্ষন, ধর্ষন, হত্যা, অপহরন, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের কোন চিত্রই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয় নাই। এসব ঘটনা পার্বত্য অঞ্চলে বাঙ্গালীদের সাথে প্রতিনিয়তই ঘঠছে। তখন মানবাধিকার সংস্থ্যাগুলো কোথায় যায়? কেনই বা বাঙ্গালীদের উপর এত অত্যাচার তাদের চোখে পড়ছে না?
এর দ্বারা বোঝা যায় মানবাধিকার সংস্থাগুলো একটি সন্ত্রাসী মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে উপজাতীয়দের পক্ষে বিভিন্ন সময় বক্তব্য দিয়ে থাকেন। এসব বক্তব্য পার্বত্য অঞ্চলে পাহাড়ী বাঙ্গালীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতি বিনিষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছি। পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ আগামীতে এধরনের সংবিধান পরিপন্থি বক্তব্য না দেওয়ার জন্য মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দৃষ্টি আকর্ষন করছি। তারা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের ঘটনা গুলোর সঠিক জরিপ করে প্রকাশ করারও আহবান জানান। পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌম রক্ষায় পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।



















