Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 56

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 58

রাঙামাটিতে আটক আরাকান আর্মি নেতাকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে স্থানান্তর

Rangamati Arakan pic

স্টাফ রিপোর্টার:

রাঙামাটিতে আটক মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপ আরাকান আর্মির শীর্ষ নেতা ডা. রেনিন সুয়ে’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বুকে তীব্র ব্যথা অনুভবের কারণে তাকে কড়া পুলিশ নিরাপত্তায় এ্যাম্বুলেন্স করে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।

রাঙামাটি জেলা কারাগারের জেল সুপার জয়নাল আবেদিন জানান, শনিবার মধ্যে রাতে হঠাৎ করেই রেনিন সুয়ে বুকে ব্যথা অনুভব। খবর পেয়ে দায়িত্বরত কারারক্ষি সকালে তাকে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে। বেশ কয়েক ঘন্টা স্থানীয় চিকিৎসকদের পর্যাবেক্ষণে থাকার পরও তার বুকের ব্যথা বেড়ে যায়। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম প্রেরণ করার পরামর্শ দেন। পরে সংশ্লিষ্ট নিয়মকানুন অনুসারে তাকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্যের নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হয়।

রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আরএমও ডা. মং ক্যাচিং সাগর জানান, রেনিন সুয়ের রক্তচাপ একটু বেশি থাকলেও সেটি সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তারপরও বুকে ব্যথা করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেলে প্রেরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ২৬ আগস্ট রাতে রাঙামাটি জেলার রাজস্থলীর কলেজপাড়া থেকে একটি বিলাশ বহুল পাকা ভবনে অভিযান চালিয়ে মায়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরাকান আর্মির সদস্য অংনু ইয়ান রাখাইনকে এবং পরদিন বাড়ীর দুই কেয়ারটেকার জসু অং মারমা ও অং সু অং মারমাকে যৌথ বাহিনী আটক করে। ঘটনার এক মাস পর ১৪ অক্টোবর বিজিবি ও পুলিশের পৃথক অভিযানে রাজস্থলীর ইসলামপুর থেকে আটক করা হয় পালিয়ে থাকা ঐ বিলাশ বহুল পাকা ভবনের অবস্থানকারী আরাকান আর্মির শীর্ষ নেতা ড. রেনিন সুয়ে-কে।

আটক চারজনের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ, বিদেশী মূদ্রা পাচার ও সন্ত্রাস দমন আইনে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করে রাজস্থলী থানা পুলিশ। রাঙামাটির বিচারিক আদালতে মামলাগুলো বিচারাধীন রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন