রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে শীঘ্রই ড্রেজিংয়ের উদযোগ নেওয়া হবে- মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার, রাঙামাটি:
রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি করতে শীঘ্রই ড্রেজিংয়ের উদযোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মো. ছায়েদুল হক এমপি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কাপ্তাই হ্রদকে বাচিয়ে রাখা ও মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কাপ্তাই হ্রদের ৬টি পয়েন্টে ড্রেজিংয়ের পরিকল্পনা করলেও উদ্যোগের অভাবে তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। সকলের ঐক্যমতের প্রচেষ্টায় অতিদ্রুত কাপ্তাই হ্রদ ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু করা সম্ভব্য হবে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১২টায় রাঙামাটিতে কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, জেলেদের ভিজিএফ কার্ড বিতরণ ও বিএফআরআই অফিস কাম ল্যাবরেটরি ভবন উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মোঃ ছায়েদুল হক এসব কথা বলেন।
রাঙামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক ড. মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে রাঙামাটির সংসদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, সাবেক পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার, পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, মৎস্য সচিব পিজুস কস্টা, বিএফডিসির ব্যাবস্থাপক মইনুল ইসলাম, মৎস্য গবেষনা ইন্সটিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহামুদ, কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম জোনের ক্যাপ্টেন শহীদুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার আমেনা বেগম বক্তব্য রাখেন।
মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মোঃ ছায়েদুল হক আরো বলেন, সরকার পার্বত্যাঞ্চলে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাপ্তাই হ্রদ বন্ধকালীন সময় প্রায় ১৮হাজার ৯৬০জন মৎস্যজীবি নারী-পুরুষকে ভিজিএফ কার্ড দিয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশকে দুধের স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জন করতে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গবাধি পশুর কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এ বছর থেকে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে বলে জানান তিনি।
পরে মন্ত্রী কাপ্তাই হ্রদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যশস্য বিতরণ করেন এবং রাঙামাটি মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট ভবন এর উদ্বোধন করেন।



















