বীর বাহাদুরের দোসরদের আইনে আওতায় আনার দাবি বান্দরবান বিএনপির


বিগত ৩৫ বছর ধরে বান্দরবান সম্প্রীতি রুপকার দাবি করে ভাঙিয়ে আসছেন সেই আ.লীগের নেতা বীর বাহাদুর বিরুদ্ধে ১ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা অবৈধ সম্পত্তির অর্জনের দায়ের মামলা রুজু করা হয়েছে। এটি বান্দরবানবাসীদের একদিকে যেমন সুখবর অন্যদিকে লজ্জাজনক। তাই দুর্নীতি অভিযোগে শুধু বীর বাহাদুর নয় ১৭ বছর ধরে যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লুটেপুটে খেয়েছে সেসব দোসরদেরও আইনে আওতায় আনার জোর দাবী জানান।
আজ বুধবার বিকালে মুক্তমঞ্চে সামনে গণ অভ্যুত্থানের বিজয় মিছিল সভায় এসব মন্তব্যে করে বান্দরবান জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
সভায় বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, ১৯৯১ সালে প্রথম নির্বাচনে জনগনের কাছে ভোট চেয়েছিলেন বীর বাহাদুর নামে আর ১৯৯৬ সালে এসে নামের পরে উশৈসিং নামে মারমা টাইটেল লাগিয়ে দিয়েছেন। পরে পাহাড়ের সাধারণ মানুষ মাথা বিক্রি করে কামিয়েছে অবৈধ টাকা। শুধু তাই নয় ২০২১ সালে ইভিএম মাধ্যমে পৌরসভা ভোট ডাকাতির করে একজন দুর্নীতিগ্রস্থ ব্যাক্তিকে দ্বিতীয় বারের মতন চেয়ারম্যান বানিয়ে গড়েছেন অবৈধ সম্পত্তি।
বিএনপি নেতারা বলেন, পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী রাজার পরিবারকে করুচিপূর্ণ মন্তব্যে করেছেন। বান্দরবানে হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান রাজপূণ্য মেলা সু-পরিকল্পিতভাবে বন্ধ করে দিয়েছে। যার কারণে বান্দরবানে সেই ঐতিহ্যবাহী রাজপুন্য মেলার বিলুপ্তির হয়ে যাচ্ছে। অথচ সেই মানুষ দীর্ঘ বছর আগে তার বাড়িতে একজন কর্মচারী হিসেবে দ্বায়িত্বে ছিলেন। তাই ষড়যন্ত্রকারী, দুর্নীতিবাজ ও রাজাকার এই নেতাকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠিন শাস্তির দাবি জানানো হয়।
গত এক বছর আগে ছাত্রদের আন্দোলনে তোপের মুখে পড়ে ফ্যাসিস্ট সরকার পতন হয়েছে। তাই আগামীতে নতুন দেশকে উন্নয়নশীল ও যুব সমাজকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে তরুণদেরকে ধানের শীষে ভোট দেয়ার আহ্বান জানান বিএনপি নেতারা।
এর আগে রাজার মাঠ প্রাঙ্গনে বিজয় র্যালীতে যোগ দেন বিএনপি দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন। এরপর বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে শহর জুড়ে বিজয় র্যালী বের করা হয়। অংশ নেন বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতাকর্মীরা। শহর প্রদক্ষিন শেষে মুক্তমঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় জেলা বিএনপি আহবায়ক সাচিংপ্রু জেরী, সদস্য সচিব জাবেদ রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ওসমান গণি, জসিম উদ্দিন তুষারসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

















