আইন-শৃঙ্খলার অবনতিতে চুরি বেড়েছে গর্জনিয়ায়

fec-image

আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে রামুর গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ১০ গজের মধ্যে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের এমন কোন গ্রাম নেই চুরির ঘটনা ঘটছে না।

পুলিশ ফাঁড়ির পাশের পাইকারী ব্যবসায়ী আবু সুফিয়ান জানান,মঙ্গলবার রাত তার দোকান থেকে ৯০ হাজার টাকার সিগরেটসহ মালামাল চুরি হয়েছে। সে খুবই মর্মাহত। কারণ একটি পুলিশ স্টেশনের এতো কাছ থেকে চুরি হবে সে আশা করেন নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বসতবাড়ি, দোকানপাট ও গবাদিপশু চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অনেক ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে চোর শনাক্ত বা মালামাল উদ্ধার হয়নি বলে তাদের দাবি।

একাধিক ভুক্তভোগী জানান, সন্ধ্যার পর অনেক এলাকায় পুলিশের টহল খুব একটা চোখে পড়ে না। এই সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে তাদের অভিযোগ। ফলে সাধারণ মানুষ রাত জেগে পাহারা দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের মতে, পুলিশ ফাঁড়ির এত কাছেই যদি চুরির ঘটনা ঘটে, তাহলে প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়াই স্বাভাবিক। তারা নিয়মিত টহল বৃদ্ধি, সন্দেহভাজন চোরচক্রের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান এবং সাম্প্রতিক চুরির ঘটনাগুলোর দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, গর্জনিয়া ও কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের এমন খুব কম গ্রামই আছে যেখানে সাম্প্রতিক সময়ে চুরির ঘটনা ঘটেনি। তাই ধারাবাহিক এসব ঘটনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।।

গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আনিসুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, আমি চুরির বিষয়ে কোন কিছু জানি না। আপনাদের মাধ্যমে ঘটনা সর্ম্পকে শুনেছি।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: রামু
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন