নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গা নারীকে ধর্ষণ করেছে ভিডিপি কমান্ডার : মহেশখালীর ঝাউবনে ইজ্জত হরণ আরেক তরুণীর

naikhangccari
ডেস্ক রিপোর্ট:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গা নারী ও কক্সবাজারের মহেশখালী সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক তরুণী। অন্যদিকে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্কুলছাত্রীকে যৌন হয়রানির দায়ে দুই বখাটেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নাইক্ষ্যংছড়িতে রোহিঙ্গা নারীকে ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় এক ভিডিপি কমান্ডার জড়িত বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :
নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষণ : বান্দারবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থানীয় ভিডিপি কমান্ডারের বিরুদ্ধে এক রোহিঙ্গা তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আলী হোসেন নামে ওই ভিডিপি কমান্ডারকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে নাইক্ষ্যংছড়ির ৩১ বিজিবি সদস্যরা আটক দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে সীমান্তের চাকঢালা জিরো পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠায়। এর মধ্যে এক তরুণী ফের বাংলাদেশে ফিরে আসার চেষ্টা করলে স্থানীয় ভিডিপি কমান্ডার আলী হোসেন তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে চাকঢালা বাজারে তার ইলেকট্রনিক্স দোকানে নিয়ে যায়। পরে আলী হোসেন তাকে ধর্ষণ করেন বলে ওই তরুণী অভিযোগ করেন।
এ ঘটনা জানাজানি হলে গতকাল সকালে বিজিবি সদস্যরা অভিযুক্ত ভিডিপি কমান্ডার আলী হোসেনকে আটক করে ব্যাটালিয়ন সদরে পাঠিয়েছে।
আলী হোসেনর স্ত্রী ও শ্বশুর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর আকতার জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ওই রোহিঙ্গা মহিলাকে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তবে, রাতের আঁধারে ওই মহিলা পাহাড়ি পথ পাড়ি দিয়ে আবারও ফিরে এসে স্থানীয় এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে ওই মহিলাসহ আশ্রয়দাতা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান। তবে বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক বলে বিজিবির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

মহেশখালীতে তরুণীকে ধর্ষণ :

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে শুক্রবার সন্ধায় এক তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
এলাকাবাসী জানান, মাতারবাড়ি ইউনিয়নের মিয়াজিরপাড়ার জাফর আলম বিয়ের প্রলোভনে শুক্রবার সকালে মাইজপাড়া এলাকার এক তরুণীকে পাশের সমুদ্র সৈকতে নিয়ে যান। পরে বিকালে চরপাড়ার উত্তরে ঝাউবনে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। এ সময় জাফরের সহযোগী মাইন উদ্দিনও তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে।
এদিকে এলাকার লোকজন শুক্রবার সন্ধায় ওই তরুণীকে উদ্ধার করে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছে দেয়। পরে গতকাল সকালে এ নিয়ে তার পরিবারের লোকজন স্থানীয় মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদে একটি অভিযোগ দায়ের করে।
এ ব্যাপারে মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনামুল হক চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে ওই তরুণীকে থানা পুলিশের কাছে যেতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

2 × 3 =

আরও পড়ুন