‘আলোক ফাঁদ’ দিয়ে নাইক্ষ্যংছড়ির কৃষকরা উপকৃত হচ্ছে

fec-image

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সৌর বিদ্যুতের আলোর পদ্ধতি। এই আলোর ফাঁদ ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ দমনে কৃষকদের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে।

পানিভর্তি পাত্রের উপর সৌর বিদ্যুৎ এর সাহায্যে আলো জ্বেলে বিশেষ ধরনের এই ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৩হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের মোট ১৫টি ব্লকের মধ্যে এই সৌর চালিত আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হবে। ইতোমধ্যে ১০টি ফাঁদ স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় সন্ধ্যার পর রোপা আমন ফসলের ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকা-মাকড়ের উপস্থিতি যাচাই করা হচ্ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি কৃষি দপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শিমুল বড়ুয়া, মুহিব উল্লাহ, সুলাল বড়ুয়া বলেন, সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আলোক ফাঁদ মাঠে স্থাপন করার পর কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে সদর ইউনিয়নের চাকঢালা ব্লকে এই আলোর ফাঁদ স্থাপন করেন কৃষি দপ্তরের উপসহকারী উদ্বিত সংরক্ষণ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম। এইসময় দেখা যায়, আমন ধানের ক্ষেতের পাশে সৌর প্যানেল বসানো হয়। নিচে রয়েছে ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানির পাত্র। আলোর কাছে আসতেই পোকা পানিতে পড়ছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার মো.ইনামুল হক বলেন, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা চিহ্নিত করা যায়। কোন পোকার কি ধরনের ক্ষতি করে সেই দিক বিবেচনা করে কৃষকদেরকে সে অনুযায়ী সমন্বিত বালাই নাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: কৃষক, কৃষি অফিস, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eighteen − 8 =

আরও পড়ুন