কুতুবদিয়া সী-বীচে পর্যটকে টইটুম্বুর


কক্সবাজারের পর্যটন বিকাশে সম্ভাবনায় কুতুবদিয়া সী-বীচে ঈদের প্রথমদিনেই দর্শনার্থীতে টইটুম্বুর হয়। নারী-পুরুষ ও শিশুদের যেন দীর্ঘ দিনের মিলন মেলায় রূপ নেয়। সম্প্রতি বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকতে কীটকট চেয়ার, স্পীডবোট, প্যাডেলবোট, বিভিন্ন রাইড সংযুক্ত করা হয়।
এরপর থেকেই বন্ধের দিন বিপুল সংখ্যক স্থানীয় ও বহিরাগত পর্যটকের আগমন বেড়ে যায়। শনিবার ঈদের প্রথম দিন সারা দিনই সৈকতের বালিয়াড়িতে বিনোদন প্রিয় দর্শকদের উপচেপড়া ভীড় লক্ষ্য করা যায়। বিকেলে নারী শিশুদের আগমন ছিল স্মরণীয়। আজ ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ভিড় হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মায়ের সাথে বেড়াতে আশা শিশু লিজামনি জানায়, বড়ঘোপ সমুদ্র সৈকতে এধরনের বিনোদন আগে দেখিনি। এবারই গ্রামের বাড়িতে এসে সৈকতে প্রায় অনেক ইন্জয় করতে পেরে খুব খুশি। শিশুদের জন্য আরো নতুন নতুন খেলনা থাকলে আরো দর্শক আসবে বলেও মনে করে সে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কুতুবদিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক সংবাদকর্মী আবুল কাশেম বলেন, ব্যাপক সারা মিলছে সী-বীচে দর্শনার্থীদের। বিভিন্ন বিনোদন উপকরণের পাশাপাশি ঝাউবাগানের বাগান বাড়িয়েছে সৌদর্য। এটাকে আরো মনোমুগ্ধকর করতে ও পরিবেশ রক্ষার্থে আরো ঝাউবাগান সৃজন করা প্রয়োজন। যত্রতত্র ময়লা না ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। এছাড়া বিশাল সৈকতে পর্যটন আকর্ষনে সরকারিভাবে উদ্যোগ নেয়ার দাবি জানান তিনি।
থানার ওসি মো. মাহবুবুল আলম বলেন, সৈকতে বিনোদন স্পটে উল্লেখযোগ্য মানুষের সমাগম ঘটে । বিশেষ করে ঈদের দিনসহ বন্ধের সময়ে। নিরাপত্তা বিঘ্ন সৃষ্টি ও অপ্রীতিকর পেরিবেশ রোধে পুলিশের মোবাইল টীম রয়েছে তারা নজরদারি রাখছেন।

















