চকরিয়ায় কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব

fec-image

চকরিয়া পৌরসভার ভাঙ্গারমুখস্থ কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহারের দানশ্রেষ্ট দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব ২০১৯ সোমবার (১১ ) থেকে শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানমালার শুরুতে এদিন বিকালে কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চকরিয়া পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন চকরিয়া থানার ওসি মো.হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শিক্ষানবীশ সহকারি পুলিশ সুপার আরেফিন ছিদ্দিকী, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও চকরিয়া পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহেদুল ইসলাম লিটু।

বক্তব্য দেন কক্সবাজার জেলা বৌদ্ধ সমিতির সহ-সভাপতি পরিমল বড়ুয়া, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্যতম নেতা বাবুল বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় জেতবন বৌদ্ধ বিহার কমিটির সভাপতি সম্পাদক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

উৎসব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী, মেয়র আলমগীর চৌধুরী, শিক্ষানবীশ সহকারি পুলিশ সুপার আরেফিন ছিদ্দিকী, চকরিয়া থানার ওসি হাবিবুর রহমান ও জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম লিটুকে ক্রেস্ট উপহার দেন আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী বলেছেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা ধর্ম যার যার বাংলাদেশ সবার। এদেশে একসাথে বসবাস ও সব ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনে সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে। আজ বিশ্বদরবারে প্রমাণিত হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সফল সরকার সকলধর্মের মানুষের সবস্থানে সেতুবন্ধনে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সফল হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি ধর্মে বলা হয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, সকল ধরণের অনাচার ও হানাহানিতে লিপ্ত গোষ্ঠী কোনদিন শান্তির পক্ষে হতে পারেনা। তাদের স্থান কোন ধর্মে নেই। অনুরূপভাবে হিন্দু ধর্মে বলা হয়েছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের বিনাশের জন্য ভগবান যুগে যুগে পৃথিবীতে আর্বিভুত হন। পরকালের ভীতি হৃদয়ে রেখে সুন্দর আগামী নিশ্চিত করতে সকল ধর্মের সবাইকে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে হবে। এতে সকলের জীবনের অভিষ্ঠ লক্ষ্য অর্জনে সফল হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদী আরও বলেন, চকরিয়া উপজেলা একটি সম্প্রীতির জনপদ। এখানে সকল ধর্মের মানুষ একসঙ্গে নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করে। ধর্মীয় কোন ধরণের সংঘাত নেই। আশাকরি আগামীতেও চকরিয়া উপজেলার প্রতিটি জনপদে সম্প্রীতির ধারা অব্যাহত থাকবে। ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলের মেলবন্ধনে আগামীতে সম্প্রীতির চকরিয়া বির্নিমানে সবাইকে খোলামনে কাজ করতে হবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

thirteen − one =

আরও পড়ুন