রাঙামাটির মারমা যুবতীকে চীনা যুবকের বিয়ে, ৩ বছর পর আসলেন শশুর বাড়ি


আজ থেকে তিন বছর আগে তথা ২০২৩ সালের দিকে আন্তর্জাতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ওয়ার্ল্ড টক’-এর মাধ্যমে চীনা যুবক এক্সেলা (৩২)- এর সাথে বাংলাদেশের রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার মংমিঅং মারমার মেয়ে খইসিংপ্রু মারমার (৩০) পরিচয় ঘটে।
পরিচয়ের পর থেকে বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। এরপর প্রেম, প্রেম থেকে পরিণয়। ওই বছরেই মারমা তরুণী প্রেমের টানে চীনে ছুটে যান তার প্রেমিক এক্সেলার কাছে। সেখানে পারিবারিক ভাবে তাদের ধূমধাম বিয়ে হয়। বিয়ের বয়স পার হলো তিনে। সংসারে এসেছে তাদের ফুটফুটে শিশু কন্যা। বর্তমানে ওই কন্যার বয়স দুই ছুঁই ছুঁই।
এইবার তিন বছর পর মারমা তরুণী বুধবার (২৪ জুন) রাতে চীনা স্বামী এবং কন্যাকে নিয়ে নিজ দেশের রাজস্থলী উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের মহাজন পাড়ার বাবার বাড়িতে ছুটে আসেন।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চীনা যুবকের আগমনের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয়। বিদেশি নাগরিককে এক নজর দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ খইসিংপ্রু মারমার বাড়িতে ভিড় করতে থাকে
চীনা যুবক এক্সেলা বলেন, এই প্রথম শশুর বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। আমি খইসিংপ্রুকে ভীষণ ভালোবাসি। তাকে বিয়ে করে সুখে-শান্তিতে সংসার করে আসছি। বাংলাদেশে এসে তার পরিবারের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা পেয়েছি।
মারমা যুবতী খইসিংপ্রু বলেন, ‘অনলাইনে পরিচয়ের পর ধীরে ধীরে আমাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর বিয়ে করি।
আমরা দুইজন সিদ্ধান্ত নিয়েছি আজীবন একসাথে থাকব। আমি কখনও কল্পনা করিনি ও এদেশে আসবে। আমি চাই তাকে নিয়ে সুখে শান্তিতে সারা জীবন বসবাস করি ।
খইসিংপ্রু পরিবারের সদস্যরা জানান, আমাদের মেয়ে তার পছন্দের চীনা যুবককে বিয়ে করেছে।আমাদের কোন আপত্তি নেই। তারা সুখে আছে বলে আমরা সুখি।
রাজস্থলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ হোসেন বলেন, চীনা নাগরিক এবং তার স্ত্রী উভয়ে দেখা করেছে। চীনা নাগরিক তার একটি পাসপোর্ট প্রদর্শন করেছেন। চীনা যুবক এখন ওই মেয়ের বাড়িতেই আছে।’

















