Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 56

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 58

হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজি: অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের মৎস্য সরবরাহ বন্ধের হুমকি

চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিনিধি :
মৎস্য সরবরাহের বৃহৎ মোকাম হচ্ছে কক্সবাজারের ফিশারীঘাট। প্রতিদিন এখান থেকে ট্রাক ও পিক-আপ এবং মিনি ট্রাকে করে মাছ যাচ্ছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন আড়তে। এখন মাছ সরবরাহ করতে গিয়ে যানবাহন চালক ও ব্যবসায়ীরা পদে পদে হয়রানীর শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে হাইওয়ে পুলিশ বেপরোয়া চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে। আর চাঁদা না দিলে দীর্ঘক্ষণ মাছ ভর্তি যান দাঁড় করিয়ে রাখা, অহেতুক গাড়ি ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে যাচ্ছে। এ ধরনের চাদাঁবাজিতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা মৎস্য সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে । তারা অবিলম্বে মাছ ভর্তি ট্রাক, পিক-আপ ও মিনি ট্রাক থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় ও হয়রানী বন্ধের দাবী জানিয়েছেন।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, প্রতিদিন ও রাতের বেলায় কক্সবাজার শহরের ফিশারীঘাটের বিভিন্ন মৎস্য সেন্টার হতে, টেকনাফ থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বোঝাই ট্রাক ও পিক-আপ এবং মিনি ট্রাক যাচ্ছে চট্টগ্রামের আড়তে। মাছ সরবরাহ দিতে গিয়ে টেকনাফ-কক্সবাজার সড়ক ও কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহা সড়কের টেকনাফ থানার টহলদল, হোয়াইক্ষ্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির টহলদল, থাইংখালি হাইওয়ে টহলদল, উখিয়া থানার টহলদল, তুলাবাগান হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির টহলদল, খাটিমাথা এলাকায় রামু থানা পুলিশ টহলদল, চট্টগ্রাম মহাসড়কে খরুলিয়া এলাকায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার টহলদল, রামু থানার টহলদল, ঈদগাঁও পুলিশ ফাঁড়ির টহলদল, মালুমঘাট হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির টহলদল, চিরিঙ্গা বানিয়ারছড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির টহলদল, লোহাগাড়া থানা, পটিয়া হাইওয়ে ফাঁড়ি, চট্টগ্রাম নতুন ব্রীজে ও ২নং গেইটে বেশ কয়েকজন ট্রাফিক সার্জেন্ট যানবাহন আটক করে চাঁদাবাজি করে থাকেন।

ব্যবসায়ী ও যানবাহন চালকরা জানান, চাদাঁ না দিলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গ, রোড পারমিট, ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশনবিহীন ইত্যাদি অজুহাত দেখিয়ে মাছ বোঝাই যানগুলো আটকিয়ে মোটা অংকের উৎকোচ আদায় করেন। চাহিদামতো চাঁদা না দিলে কাচা মাছ ভর্তি যানগুলো দীর্ঘক্ষণ আটক রাখে। অনেক ব্যবসায়ী তাদের মাছ পঁচে নষ্ট হওয়ার ভয়ে চাঁদাদিতে বাধ্য হন। তবে দিনের চেয়ে রাতের বেলায় ঘটছে দ্বিগুন চাঁবাজির ঘটনা। আবার অনেক মাছ বোঝাই যানবাহন চালক টাকা না দিলে গাড়ীর বৈধ কাগজপত্র থাকার পরেও যানবাহন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা দিয়ে হয়রানী করেন।

কক্সবাজার শহরের ফিশারী ঘাটের মৎস্য সরবরাহকারী জয়নাল আবেদীনসহ অনেকে জানান, হাইওয়ে পুলিশকে চাঁদা না দিলে গাড়ি আটক রাখে অথবা মামলা দায়ের করে একটি স্লীপ ধরিয়ে দেয়।

জয়নাল আবেদীন মৎস্য সরবরাহকারী ও একটি মিনি ট্রাকের মালিকও। তার মিনি ট্রাকটির কাগজপত্র পূর্ণাঙ্গ থাকার পরেও গত একমাসে দুটি মামলা দায়ের করেছে। এভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা অবৈধভাবে আয় করছে পুলিশ সার্জেন্টরা। এ রকম অনৈতিক কর্মকাণ্ডে যানবাহন মালিক ও সাধারণ যাত্রীরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। জোর করে টাকা আদায় বন্ধ না হলে কক্সবাজারের মৎস্য ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৎস্য সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন