আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত মেধার জয় নাকি শুভঙ্করের ফাঁকি?

fec-image

তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির (বর্তমানে ১১-২০তম গ্রেডের) সকল প্রকার নিয়োগে ১৯৮৯ সাল থেকেই একটি বিশেষ গোষ্ঠিকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসা হচ্ছিল। আর এটা করা হচ্ছিল পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের ৩২(২) ধারায় উল্লেখিত নিয়োগের ক্ষেত্রে ‘উপজাতীয়দের অগ্রাধিকার’ প্রদানের যুক্তি দিয়ে। একই সঙ্গে আইনের ৪(১) ধারা অনুযায়ী পরিষদের ৩০ জন সদস্যের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ উপজাতি এবং এক-তৃতীয়াংশ সদস্য বাঙালি হওয়ার শর্ত দেখিয়ে একটি অলিখিত ও অলঙ্ঘনীয় নীতি করা হয়েছিল যে, সকল নিয়োগের ক্ষেত্রেও ‘উপজাতি’ দুই-তৃতীয়াংশ (অন্তত ৭০%) এবং ‘অ-উপজাতি’ তথা বাঙালি এক-তৃতীয়াংশ (৩০%) প্রার্থী নিয়োগ পাবে। এর সুযোগ নিয়ে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৮০%, ৯০% এমনকি ১০০% ‘উপজাতি’ নিয়োগ করা হয়ে আসছিল।

এই প্রথাটা শুরু হয়েছিল জেলা পরিষদের নিয়োগ দিয়ে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানেই থেমে থাকেনি। জেলা পরিষদের পাশাপাশি উন্নয়ন বোর্ড, আঞ্চলিক পরিষদ, কালচারাল ইনস্টিটিউট, ডিসি অফিস সবখানেই এই অলঙ্ঘনীয় বিধান চালু হয়ে যায়। শুধু যে নিয়োগের ক্ষেত্রে এটা হচ্ছিল তা কিন্তু নয়, শিক্ষা বৃত্তি, উন্নয়ন প্রকল্পের বণ্টন থেকে শুরু করে সকল স্তরের সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে এটা যেন এক অমোঘ বিধান হয়ে উঠেছিল। অথচ পার্বত্যাঞ্চলে মোট জনসংখ্যার ৪৯.৯৪ শতাংশ ‘উপজাতি’ (অবাঙালি) এবং ৫০.০৬ শতাংশ ‘অ-উপজাতি’ (বাঙালি)। দিন যত যাচ্ছিল, পার্বত্যাঞ্চলে এ জাতিগত বৈষম্য ক্যান্সারের মতো সব কিছুকে গ্রাস করে নিচ্ছিল।

স্বাভাবিক কারণেই এটা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ, আন্দোলন-সংগ্রাম, হরতাল-অবরোধ, উচ্চ আদালতের রিট, বিভিন্ন দপ্তরে লেখালেখি, চিঠি চালাচালি বহু কিছু হয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের কোটা সংস্কার ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায়ে পূর্বেকার সকল কোটা সিস্টেম বাতিল করে ৯৩% মেধা এবং ৭% কোটা নির্ধারণ করে দেয়। আদালতের রায়ের আদেশ মেনে ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই ৭% কোটা ও ৯৩% মেধা থেকে নিয়োগের ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর পর থেকে পাহাড়েও একই হারে কোটা ও মেধার ভিত্তিতে সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জোরালো হয়ে উঠে। এর জেরে তিন পার্বত্য জেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ অনেক দিন ধরে আটকে আছে।

সর্বশেষ খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এই ব্যাপারে করণীয় জানতে চিঠি দেয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে, পার্বত্য মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে মতামত জানতে চিঠি পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রতি উত্তরে জানায়, এ ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয় থেকে ব্যাখ্যা দেয়াটা সমীচীন হবে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পার্বত্য মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দিয়ে আইন মন্ত্রণালয়কে এ ব্যাপারে করণীয় কী হবে জানতে চাওয়া হয়। অবশেষে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে, যার মর্মার্থ “আইনে উল্লেখিত ‘উপজাতীয়দের অগ্রাধিকার’কে অযুহাত বানিয়ে কোনো জনগোষ্ঠির জন্য ৭০% বা তার বেশি কোটা সংরক্ষণ বৈধ নয়। বরং সর্বক্ষেত্রে মেধা প্রাধান্য পাবে। কোটা সংরক্ষিত হবে ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই জারি করা প্রজ্ঞাপনের কাঠামোর মধ্যে।”

গত ৭ জুলাই ২০২৬ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত ব্যাখ্যায় উল্লেখ করা হয়েছে,

“সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংক্রান্তে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং ৬০৬৩/২০২১ এর বিগত ০৫/০৬/২০২৪ তারিখের রায়ে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের নির্দেশনা প্রদান করেন। তৎপ্রেক্ষিতে মাননীয় আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ১০৩৮/২০২৪ ও ১০৩৯/২০২৪ এর সংশ্লিষ্টতায় সিভিল পিটিশন নং ২৫৩৭ ও ২৫৩৮/২০২৪ এর বিগত ২১/০৭/২০২৪ খ্রিঃ তারিখের আদেশে আপিল বিভাগ কর্তৃক হাইকোর্টের রায় বাতিল করে নতুন কাঠামো নির্ধারণ করে দেয়। এই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২৩ জুলাই ২০২৪ তারিখে ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০০৪.২৪-১৪১ স্মারক মূলে জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে,

সমতার নীতি ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রজাতন্ত্রের কর্মে প্রতিনিধিত্ব লাভ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকারের বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত/আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, স্ব-শাসিত ও সংবিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষের এবং চাকুরিতে/কর্মে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল গ্রেডে কোটা নিম্নরূপ নির্ধারণ করা হলো-

(ক) মেধাভিত্তিক ৯৩%;

(খ) মুক্তিযোদ্ধা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের জন্য ৫%;

(গ) ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ১%;

(ঘ) শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জন্য ১%।

নির্ধারিত কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট কোটার শূন্য পদসমূহ সাধারণ মেধা তালিকা হতে পূরণ করা হবে এবং কোটা সংক্রান্ত পূর্বে জারীকৃত সকল পরিপত্র/প্রজ্ঞাপন/আদেশ/নির্দেশ/অনুশাসন রহিত করা হলো।

অপরদিকে, রাঙ্গামাটি/বান্দরবান/খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ এর ৩২(২) ধারায় বিধি অনুযায়ী তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদে কর্মচারী নিয়োগ করতে পারবে।

পরবর্তীতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্গত ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে প্রদত্ত নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চ আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিগত ২৩ জুলাই ২০২৪ তারিখের ১৪১ নং স্মারকে জারীকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো বিশেষ জাতি, গোষ্ঠী বা জেলার বাসিন্দাদের চাকরিতে নিয়োগে ‘অগ্রাধিকার’ দেওয়ার সুযোগ নেই।

পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ একটি সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন। অপরদিকে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত ২৩ জুলাই ২০২৪-এর কোটা প্রজ্ঞাপন একটি নির্বাহী আদেশ। সাধারণত নির্বাহী আদেশ দ্বারা কোন বিদ্যমান আইন রহিত, সংশোধন বা অকার্যকর করা যায় না। তবে উল্লেখিত আইনের ৩২(২) ধারায় উপজাতীয় বাসিন্দাদের জন্য নির্দিষ্ট শতাংশ কোটা সংরক্ষণের কথা বলা হয়নি, বলা হয়েছে ‘অগ্রাধিকার’ প্রদানের কথা।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা হতে পারে-

কোটা অর্থ নির্দিষ্ট সংখ্যক পদ সংরক্ষণ;

অগ্রাধিকার মানে আলাদা পদ সংরক্ষণ নয়; বরং যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনকালে কাউকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

অতএব, ধারা ৩২(২) কোন অতিরিক্ত কোটা সৃষ্টি না করে, বরং সমমানের যোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে স্থানীয় উপজাতীয় প্রার্থীকে অগ্রাধিকার প্রদানের সুযোগ দেয়। অধিকন্তু অগ্রাধিকার কখনো মেধাকে অতিক্রম করবে না, বরং সমযোগ্যতার ক্ষেত্রেই এটা প্রয়োগ করা হবে।

বর্ণিত প্রেক্ষাপটে আপিল বিভাগের ২০২৪ সালের রায়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত ১% কোটা কাঠামোর মধ্যে থেকেই নিয়োগের সময় সমযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন, মেধা তালিকায় সমান নম্বর, সাক্ষাৎকার সমমানের মূল্যায়নের মাধ্যমে স্থানীয় উপজাতীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।”

আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে এই নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে। আগ্রহীরা নিশ্চিত হতে চাইছেন, আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতে মেধার জয় হয়েছে নাকি এর মধ্যে কোনো শুভঙ্করের ফাঁকি রয়েছে? আমার কাছেও অনেকে এ ব্যাপারে মতামত জানতে চেয়েছেন, কিন্তু সময়ের অভাবে এতদিন উত্তরটি দেয়া হয়ে উঠেনি।

যাহোক, সংক্ষেপে এ ব্যাপারে আমার উপলব্ধি হচ্ছে, আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যায় ‘অগ্রাধিকারের’ নামে এতদিনকার প্রচলিত অন্যায্য (৭০%) কোটার বিলুপ্তি হয়েছে এবং মেধার জয় হয়েছে। আমার এই উপলব্ধির কারণ বুঝতে হলে আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যার শেষ প্যারাটি আবার পড়ে দেখতে পারেন, যেখানে লেখা রয়েছে,

“বর্ণিত প্রেক্ষাপটে আপিল বিভাগের ২০২৪ সালের রায়ে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য নির্ধারিত ১% কোটা কাঠামোর মধ্যে থেকেই নিয়োগের সময় সমযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচন, মেধা তালিকায় সমান নম্বর, সাক্ষাৎকার সমমানের মূল্যায়নের মাধ্যমে স্থানীয় উপজাতীয় বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।”

শুধু যে নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ব্যাখ্যা তা কিন্তু নয়, বরং শিক্ষাবৃত্তি, উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দসহ সকল ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। কারণ, এতদিন যে যুক্তিতে উপজাতীয়দের ৭০% বা তার বেশি কোটা সংরক্ষণ করা হতো, ঠিক সেই একই যুক্তিতে শিক্ষাবৃত্তিসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও বণ্টন করা হতো। অতএব, আইন মন্ত্রণালয়ের ব্যাখ্যার কারণে যদি নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রচলিত অন্যায্য কোটা উঠে যেতে পারে, তাহলে সেই একই ব্যাখ্যা অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। কোথাও এর ব্যত্যয় হলে সেটা হবে অন্যায় এবং অন্যায্য।

তবে যে পার্বত্য বাঙালিদের আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে শেষ পর্যন্ত আইন মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাখ্যা এসেছে তাদের জন্য এটা একটা শুভঙ্করের ফাঁকি হয়ে ওঠার আশঙ্কাও আছে। সেটা কেন এবং কীভাবে সেসব বুঝা যাবে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তরের মধ্যে।

১. দেশের প্রতিটি উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপজাতীয় কোটায় পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে প্রতি বছর ৭০০-৮০০ উপজাতীয় শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে আসছে। একই পরিবেশে বড় হওয়া ও শিক্ষা জীবন শুরু করা পার্বত্য বাঙালি শিক্ষার্থীরা সেই সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব, উচ্চ শিক্ষার সনদ অর্জনে এগিয়ে আছে বা এগিয়ে থাকবে কারা?

২. পার্বত্য জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, আঞ্চলিক পরিষদ, ডিসি অফিসগুলোতে নিয়োগ কমিটি, ভাইভা বোর্ডে যারা থাকেন বা থাকবেন তাদের মধ্যে ডিসিশান মেকার হিসেবে কারা থাকেন বা কারা থাকবেন?

৩. এসব প্রতিষ্ঠানে যাদেরকে পার্বত্য বাঙালিদের হয়ে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য পাঠানো হয় বা নিয়োগ দেয়া হয় তাদের অনেকেই একসময় মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে শুরু করেন এবং নির্লজ্জের মতো প্রচারও করতে থাকেন যে ‘বাঙালিদের মেধা নেই! তাই তাদের নিয়োগ দেয়া যায় না বা তাদের মধ্যে যোগ্য প্রার্থী পাওয়া যায় না!’ এমন মেরুদণ্ডহীন নেতৃত্ব দিয়ে জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠার আশা করা কতটা সমীচীন হবে?

তাহলে এর প্রতিকার কী হবে? উত্তর হচ্ছে,

১. পার্বত্য বাঙালিরা সকল দিক থেকেই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠি। অতএব, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজসহ রাষ্ট্রের সকল উচ্চ শিক্ষার প্রতিষ্ঠানে পার্বত্য বাঙালি শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি কোটা আদায় করতে হবে। এর জন্য ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে আবেদন-নিবেদন-তদবির জারি রাখতে হবে।

২. সকল নিয়োগ কমিটি, ভাইভা বোর্ড ও নিয়োগ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য যা যা করণীয় তার সব কিছুই করতে হবে। প্রয়োজনে পিএসসির অধীনে অথবা সমমানের একটি নিরপেক্ষ দপ্তর সৃষ্টি করে পার্বত্য এলাকার সকল নিয়োগ সম্পন্ন করার দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে।

৩. নিজেদের মধ্যে দৃঢ় মনোবল সম্পন্ন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে। সদা-সর্বদা নিজেদের অধিকার সচেতন থাকতে হবে। যেখানেই অন্যায়, অনিয়ম, বৈষম্য হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

লেখক: সাংবাদিক ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন