তিন পার্বত্য জেলার মানুষদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানোই সরকারের মূল উদ্দেশ্য : পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী


তিন পার্বত্য জেলার সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষদেরকে সমউন্নয়নের আওতায় আনা হবে। তাদের জীবনমানের উন্নয়ন ঘটানোই বর্তমান সরকারের মূল উদ্দেশ্য বলেছেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
রবিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউসে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এখানকার সমৃদ্ধি ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাবে সরকার। পাহাড় কাটা, পরিবেশ নষ্ট করা, অবৈধভাবে গাছ কাটার ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স বলেও উল্লেখ করেন মীর হেলাল।
পাহাড়ের সংঘাত, সহিংসতার ঘটনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের অন্য একটি ঘটনার উদাহরণ দিয়ে বলেন, একটা অংশ দেশকে সবসময় অস্থিতিশীল করতে চায়। অস্থিতিশীলকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলার সার্বিক বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন ও জেলার উন্নয়নসহ বেশ কয়েকটি বিষয় উঠে আসে।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক আনোয়ার সাদাত, সেনা রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল সকাল ১১টায় মহালছড়ি উপজেলায় পৌঁছেন। সেখানে সাম্প্রতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫০ পরিবারকে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করেন।

















