Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 56

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /home/parbatta/public_html/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 58

শুক্রবার রাঙামাটি কলেজ ছাত্রলীগের কাউন্সিল, কমিটিতে পরিবর্তনের হাওয়া

chatrolig_satkahan

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
আগামী (২২ মে) শুক্রবার ঘোষণা অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে রাঙামাটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের কাউন্সিল। কাউন্সিলকে সামনে রেখে রীতিমতো জেলা জুড়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মাঝে চলছে দৌড়ঝাপ। নেতাকর্মীদের আশা- প্রত্যাশা এইবার কলেজে যে নতুন নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিরা আসবে, তারা সবাই কলেজ ক্যাম্পাস, ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধা অসুবিধা, বিভিন্ন শিক্ষামূলক বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা ধারা নিয়ে সামনের দিকে অগ্রসর হবে। এ বিষয়ে কলেজের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ও কলেজ কমিটির সদস্যরা প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধও জানিয়েছেন।

এর আগে ছয় বছর পর ২০১০ সালের ৩০ জুলাই সম্মেলনের মাধ্যমে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে কমিটি গঠিত হলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন পায় তারও প্রায় এক বছর পরে। আর নেতৃত্বে আসে নতুন মুখ।

ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিন বছর পর পর জেলা সম্মেলন করার নিয়ম থাকলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদনের পরেও পাঁচ বছর পার করে বর্তমান কমিটি। আর দেরিতে হলেও কলেজ কাউন্সিলকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও প্রচারণায় নেমেছে অনেক পদপ্রত্যাশী নেতা। কেউ সভাপতির পদ পেতে, কেউবা সাধারণ সম্পাদক হতে বিভিন্ন নেতার দ্বারে দ্বারে ধর্ণা দিচ্ছেন। জেলা জুড়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কেউ কেউ গ্রুপিং মেইনটেইন করে প্রত্যাশিত পদ পেতে উঠে পড়ে লেগেছে। আর দলের ত্যাগী ও পদবঞ্চিতরা আশায় আছেন এবার নিশ্চয় তাদের সঠিক মূল্যায়ন হবে।

মাত্র তিন সপ্তাহের সময় দিয়ে গত ৮ মে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ রাঙামাটি জেলা কমিটির কাউন্সিলের ঘোষণা দেন। তবে পদ প্রত্যাশিরা জানায়, যে সময় রয়েছে তাতে কলেজ ছাত্রলীগের সম্মেলন করা কঠিন, তবে অসম্ভব নয়। যেহেতু কাউন্সিলে কে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন তা কলেজ প্রতিনিধিদের ভোটের ওপর নির্ভর করছে, তাই তাদের গুরুত্বও কম নয়।

সভাপতি হিসেবে রাঙামাটি সরকারি কলেজ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মাহম্মুদ (বাপ্পা), কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য বাপ্পি, কলেজে অধ্যয়নরত সুব্রত ও আরো বিভিন্ন নাম শোনা যাচ্ছে। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদকের পদ পেতে ইতোমধ্যেই মাঠে নেমেছেন কলেজ ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আহমেদ ইমতিয়াজ রিয়াদ, কলেজে অধ্যয়নরত রাজু, কলেজ ছাত্রলীগের তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক রব।

সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে রয়েছেন, রাঙামাটি কলেজ ছাত্রলীগের কর্মী দীপংকর দে, মুজিব, হাসান। আরো অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে। ত্যাগী ও ভদ্র নেতা হিসেবে সভাপতির দৌড়ে সুলতান মাহম্মুদ বাপ্পা, আহমেদ ইমতিয়াজ রিয়াদ, এবং সম্পাদকের দৌড়ে এগিয়ে আছেন এবং সাংগঠনিকের পদে দীপংকর দে ও মুজিব এগিয়ে আছেন।

রাঙামাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মুহাম্মদ বাপ্পা জানান, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসবে এবং এতে সংগঠন আরো গতিশীল হবে। নিয়মিত কাউন্সিল হলে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। আর সংগঠনের প্রতি কর্মীদের আন্তরিকতা বাড়বে। আমি সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও সবার দোয়া প্রার্থী।

এদিকে, প্রচার সম্পাদক আহমেদ ইমতিয়াজ রিয়াদ জানিয়েছেন, এ কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসবে। আমি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছি। জয়ের ব্যাপরে আমি আশাবাদী। আমি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হিসেবে নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও সবার দোয়া প্রার্থী।

কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক পদপ্রার্থী দীপংকর দে জানান, যেহেতু রাঙামাটি জেলা কমিটির ঘোষিত সময় আগামী শুক্রবারকে সামনে রেখেই কলেজ কাউন্সিলের প্রস্তুতি চলছে। ২২ মে’র পর এই সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব আসবে, এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ভালো নেতৃত্বের মাধ্যমে আমরা নতুন কমিটি গঠন করতে পারবো ।

রাঙামাটি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার সুজন ও সভাপতি সজল দাশ জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ জেলা সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছে। আর জেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত অনুযায়ী অতি স্বল্প সময় হাতে পেলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজ কাউন্সিল সম্পন্ন করার সবরকম প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি জানান, সমতল অঞ্চলের চেয়ে এখানকার যোগাযোগ ব্যবস্থা যেহেতু দুর্গম। তা ছাড়া এখানে বিএনপি-জামাতের পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠনকে মোকাবেলা করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালাতে হচ্ছে। কলেজ কমিটিতে সবসময় ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। আশা করি কাউন্সিলের মাধ্যমে ত্যাগী ও দক্ষ সংগঠকরাই নেতৃত্বে আসবে। আগামী সম্মেলনে সৎ, মেধাবী, ত্যাগী ও চৌকষ কর্মীদের মূল্যায়ন হয়ে একটি শক্তিশালী কলেজ কমিটি গঠন হবে এমনটাই প্রত্যাশা করছেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার সুজন ও সভাপতি সজল দাশ।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন