পাহাড়ি-বাঙালির শ্রদ্ধা সমঝোতা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় : এনসিপি নেতৃবৃন্দ

এনসিপির জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচিতে পাহাড়ে সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও মানবিকতা নিয়ে হৃদয়ছোঁয়া বার্তা দিলেন দলের শীর্ষ নেতারা। সোমবার (২১ জুলাই) বিকেল ৩টায় খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বরে অনুষ্ঠিত পথসভায় এনসিপি নেতারা বলেছেন, পাহাড়ে উন্নয়নের পূর্বশর্ত ঐক্য ও সম্প্রীতি। দ্বন্দ্ব নয়, দরকার সহাবস্থান। পাহাড়ি-বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সমঝোতা ছাড়া প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়।
এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রেখে সকল জাতিগোষ্ঠীকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, দুঃসময়ে যদি কেউ আহতদের পাশে না দাঁড়ায়, তবে তার মানবিকতা প্রশ্নবিদ্ধ। এদিকে রাজধানীর উত্তরা এলাকায় মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিমান দুর্ঘটনায় ব্যাপক হতাহতের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রে আসে পদযাত্রা মঞ্চেও।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, “এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়, আমাদের শিকড়ের ওপর আঘাত। এই শোকের সময় রাজনীতি নয়, দরকার চিকিৎসা, সহানুভূতি।”
উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, জীবন আগে, হিসাব পরে—অ্যাডমিশন নয়, আগে প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করুন। তিনি জানান, দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ এখনও হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
সংগঠক মঞ্জিলা ঝুমা পাহাড়ে চাঁদাবাজি, মিথ্যা মামলা ও অরাজকতার বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, এনসিপি এই পাহাড়কে মুক্ত করতে এসেছে অন্যায়ের হাত থেকে।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সদস্য সচিব আক্তার হোসেন, জ্যেষ্ঠ মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
একদিকে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লড়াই, অন্যদিকে রাজধানীতে জীবন বাঁচানোর যুদ্ধ—এই দুই বাস্তবতায় এনসিপির পদযাত্রা যেন হয়ে উঠেছে এক মানবিক বিপ্লবের নাম।

















