কাল থেকে রোজা

রমজানের চাঁদ দেখা গেছে

fec-image

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষিত সেহরি ও ইফতারের সূচি অনুসারে ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৩টা ৫২ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে। তবে পার্বত্য তিন জেলায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৩টা ৪৬ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে।

আজ সোমবার (৬ মে) বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। এ কারণে আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ মে) থেকে সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে। দেশের ফেনী, চট্টগ্রাম, রাঙামাটিসহ বিভিন্ন জেলার আকাশে চাঁদ দেখা যাওয়ার কথা আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন। একাধিক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলেও চাঁদের ছবি প্রকাশ হয়। এরপর রাত সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, দেশের ৫৪টি জেলায় রমজান মাসের চাঁদ দেখা দিয়েছে।

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ও ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘সোমবার বাংলাদেশের ৫৪টি জেলা রমজান মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে রমজান মাস।’

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ঘোষিত সেহরি ও ইফতারের সূচি অনুসারে ঢাকায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৩টা ৫২ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৪ মিনিটে। তবে পার্বত্য তিন জেলায় প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় রাত ৩টা ৪৬ মিনিটে আর ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে।

এদিকে রমজান মাসে খতম তারাবিড়ার সময় দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবিতে পবিত্র কোরানের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তেলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনও কোনও মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্মজীবী যারা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন তাদের কোরান খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কুরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তেলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কুরআন খতম করা সম্ভব। এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম, পীর-মাশায়েখ ও খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবিহ্ পড়ার পক্ষে অভিমত দিয়েছিলেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eleven − 4 =

আরও পড়ুন