ঈদের ছুটিতে পর্যটক বরণে প্রস্তুত কক্সবাজার: রয়েছে বিশেষ ছাড়


ঈদুল আজহার টানা ছুটিতে আগত পর্যটক বরণে প্রস্তুত সমুদ্রের নগরী কক্সবাজার। আবাসিক হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজগুলোতে দেওয়া হয়েছে ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়। ইতিমধ্যেই ৫ শতাধিক আবাসিক হোটেলে আগাম বুকিং শুরু হয়ে গেছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন ঈদের ছুটিতে (১৮ জুন থেকে ২২ জুন) কক্সবাজারের বিপুল সংখ্যক পর্যটক ভ্রমণে আসবেন। এদিকে আগত পর্যটকের নিরাপত্তা এবং নিরাপদ ভ্রমণে ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষেও নেয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতি।
আবাসিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা বলছেন এরই মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি বুকিং হয়ে গেছে। এটা কাংখিত বুকিং তাদের আশা বুকিং আরও বাড়তে পারে।
কক্সবাজার আবাসিক হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম নেওয়াজ বলেন, কোরবানির ঈদে পর্যটক আসবে এবং আমরা লোকসান পুষিয়ে নিতে পারবো এমনটাই আশা করছি। যদিও আশানুরূপ বুকিং হয়নি। তবে সকল আশংকা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত পর্যটক সমাগম বাড়তে পারে।
কক্সবাজার আবাসিক হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, আমরা আশাবাদী শেষ মুহূর্তে বিপুল পর্যটক সমাগম ঘটবে। পর্যটকদের আনতে এবার প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বিশেষ ছাড় দিচ্ছে। আমরা আশা করছি পর্যটক আসবে।
কক্সবাজারে তারকামানের হোটেল রামাদার ফ্রন্ট সুপারভাইজার তপু সিং জানান, ইতিমধ্যে তাদের হোটেলে ৭০ শতাংশ অগ্রীম বুকিং হয়েছে। কোরবানির ঈদ কে ঘিরে হোটেলটি বিভিন্ন কম্বো প্যাকেজের মাধ্যমে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।হোটেল সায়মন বীচ এর রুম শতভাগ বুকিং সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে ফ্রন্ট ডেস্ক অফিসার সারোয়ার আলম বলেন, আমরা এই ঈদে গ্রাহকদের সন্তুষ্টির জন্য কতৃপক্ষের নির্দেশে ডিসকাউন্ট দিয়েছি। তাছাড়া বুফে লাঞ্চ ও ডিনারের ও ব্যবস্থা হওয়ার সম্ভাবনা কথা উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে নিরাপত্তার প্রসঙ্গে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, ঈদুল আজহার ছুটিতে পর্যটক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন থেকে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার রিজিওন। বড় বড় ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য যেভাবে প্রস্তুতি দরকার এবারও সেভাবে প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে চার স্থরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পর্যটক কম আসলেও আমাদের নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার থাকবে।

















