Notice: Trying to get property 'post_excerpt' of non-object in /var/www/vhosts/parbattanews.com/httpdocs/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 53

Notice: Trying to get property 'guid' of non-object in /var/www/vhosts/parbattanews.com/httpdocs/wp-content/themes/artheme-parbattanews/single.php on line 55

কাউখালীর মৈত্রী শিশু সদনে ভুত আতঙ্ক! লোক চক্ষুর আড়ালেই চলছে তন্ত্র-মন্ত্রের চিকিৎসা

ফলোআপ

কাউখালীর মৈত্রী শিশু সদনে ভুত আতঙ্ক! প্রশাসনের নির্দেশ শর্তেও উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছেনা অসুস্থ্য ৬ কিশোরীকে, লোক চক্ষুর আড়ালেই চলছে তন্ত্র-মন্ত্রের চিকিৎসা।

কাউখালী প্রতিনিধি:

কাউখালীর মৈত্রী শিশু সদনের কথিত ভুত আতঙ্ক এখনো কাটেনি। স্বাভাবিক হয়নি আশ্রমের স্বাভাবিক পরিবেশ। ভয়ে অনেক ছাত্র-ছাত্রী বাড়ি চলে গেছে। প্রশাসনের নির্দেশ শর্তেও উন্নত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছেনা অসুস্থ্য ৬ কিশোরীকে। লোক চক্ষুর আড়ালেই চলছে সব তন্ত্র-মন্ত্রের চিকিৎসা।

বিশাল থাকার ঘর, পুরো ঘরজুড়ে একটি মাত্র দরজা, নেই কোন জানালা। আলো বাতাস কি জিনিস তারা জানেইনা। ছাত্র-ছাত্রীদের থাকার ঘরে ঢুকতে একধরনের বিশ্রি গন্ধ, এ যেন এক বদ্ধ কারাগার। এমন নিম্নমানের আবাসিক ব্যবস্থার মধ্যেই ৫৬ জন ছাত্র-ছাত্রী বসবাস করছে।

ঘটনার পর ৩ দিন পার হলেও শুক্রবার দুপুরে মৈত্রী শিশু সদনে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ্য ৬ কিশোরীর মধ্যে গুরুতর অসুস্থ্য দু’জনকে হাসপাতালে না রেখেই তাদের অভিভাবকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৪ কিশোরী পূর্বের মতই বিছানায় পড়ে ছটফট করছে। আর কবিরাজ ঝাঁড়ফুক করছেন। মাঝে মাঝেই মন্ত্র আওড়িয়ে লাঠি দিয়ে গুঁতোও মারছেন। নিঃশব্দে কিছুটা দূর থেকে উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা তা দেখছেন।

এদিকে প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরিচালক অংচিনু মারমা (শ্রমন) যাকে দেখলেই মেয়েরা ভয় আঁতকে উঠে তাকে আজ আশ্রমে পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পাইচামং মারমা জানান, জরুরী কাজে তাকে চট্টগ্রাম যেতে হয়েছে। দু’এক দিনের ভিতরেই সে প্রতিষ্ঠানে ফিরে আসবে।

উন্নত চিকিৎসা কেন করা হচ্ছেনা এমন প্রশ্নের সাথে সাথেই একধরণের ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি পাইচামং মারমা। তিনি জানান, এসব ডাক্তারের কাজ না। তবুও প্রশাসনের নির্দেশের পর দু’জনকে কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছি। তাছাড়া হাসপাতাল থেকে একজন ডাক্তার এসে ঔষধ লিখে দিয়েগেছেন। হাসপতাল সূত্রে জানাগেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মৈত্রী শিশু সদনের দুই কিশোরীকে ভর্তি করা হলেও রাত ৮ টার পর তান্ত্রিক চিকিৎসার কথা বলে তাদের হাসপাতাল থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে আক্রান্ত কিশোরীদের হাসপাতালের পরিবর্তে বার বার লোক চক্ষুর আড়ালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়ার কারণে বিষয়টি নিয়ে বেশ রহস্যের সৃষ্টি হচ্ছে।

এদিকে ঘটনা তদন্তে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুইমিপ্রু রোয়াজার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। এ টিম রবিবার ঘটনাস্থলে তদন্তে যাবেন বলে জানাগেছে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × five =

আরও পড়ুন