পেকুয়ায় জমি দখলের পায়তারাকারীদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়

fec-image

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিজের কেনা জায়গা দখলের পায়তারাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি সহায়তা চেয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এক যুবলীগ নেতা।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে পেকুয়া চৌমুহুনীস্থ ক্রেমলিন চৌধুরী প্লাজার উত্তর পাশে নিজের কেনা জায়গায় স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আজম।

এসময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, পেকুয়া মৌজার বিএস ৬৬১ নং খতিয়ানের রেকর্ডীয় মালিক ছৈয়দুল হক চৌধুরী ও ডা. আজিজুল হক চৌধুরীসহ তাদের অন্যান্য ভাই। কিন্তু ডা. আজিজুল হক চৌধুরীর কোন ছেলে সন্তান না থাকায় এবং ছৈয়দুল হক চৌধুরীর ছেলে আবু বক্কর চৌধুরীর কোন সন্তান না থাকায় তাদের প্রাপ্ত সম্পত্তি থেকে অন্যান্য ওয়ারিশগণ মিরাজি প্রাপ্ত হন। ছৈয়দুল হক চৌধুরী মারা যাওয়ার পর তার ওয়ারিশ এইচ এস রেজাউল করিম ও সাজেদুল করিম উভয়ে পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত ও তাদের মিরাজি প্রাপ্ত মোট সম্পত্তি থেকে ৫ শতক জমি খরিদ করি।

এছাড়াও মুবিনুল হক চৌধুরী তার দানপত্র জমিতে ভোগদখল থাকাবস্থায় ১৬.১১.১৯৮৩ ইং ৪৯৯৪ নং কবলামূলে ৪৬ শতক জমি নুরুল হোছাইন, বজল আহমদকে বিক্রি করে দখল দেয়। তাদের নামে সৃজিত বিএস ২৮৬৯ নং চূড়ান্ত আছে। নুরুল হোছাইন, বজল আহমদ তাদের কেনা স্বত্ব ভোগদখল থাকাবস্থায় উক্ত জমি শাসন সংরক্ষণ করার জন্য ১২.১১.২০১৮ ইং তারিখে ১৮৭২ নং অপ্রত্যাহার যোগ্য পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মুলে জনৈক নুরুল আলমের ছেলে মোকাম্মেল হক কে আমমোক্তার নিযুক্ত করেন। পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মুলে মালিক জনৈক মোকাম্মেল ২০.১.২০২২ ইং তারিখে ২১৬ নং রেজিস্ট্রিকৃত কবলামুলে ০.০৮ শতক জমি খরিদ করি। মোট ১৩ শতক জমি খরিদ করি।

খরিদ করার পর থেকে উক্ত জায়গার কিছু অংশে আমি দখলে আছি। কিন্ত গত ২ দিন আগে আমি আমার জায়গায় স্থাপনা নিমার্ণ করতে গেলে এক প্রভাবশালী কুচক্রিমহল আমার দখল করা জায়গা জবরদখলের পায়তারা করে। বার বার প্রভাবখাটিয়ে পেকুয়া থানা পুলিশকে ব্যবহার করে দখলের চেষ্টা করে। ঘন্টার পর ঘন্টা পুলিশকে দাঁড় করিয়ে রাখছে। আমি তাকে বলছি কোথাও যেতে হবে না, সঠিক কাগজপত্র যদি থাকে আমার সাথ বসার জন্য।

কিন্তু তা না করে সে বারবার আমার দখল জায়গায় জবরদখলের পায়তারা শুরু করে। আমাকে বারবার হয়রানি করছে। এমনকি উক্ত জায়গা খরিদ করার পর আমার নামে নামজারি জমাভাগ সৃজন করি। যার খতিয়ান নং ৭৭৩৬, ৭৮৭১। এতে আমার খরিদকৃত জায়গা পুষে না পাওয়ায় উক্ত জায়গার পাশ্ববর্তী শাহাব উদ্দিন, আব্বাছ উদ্দিন, নাছির উদ্দিন, নেজাম উদ্দিন, মৃত অছি মিয়ার পুত্র গোলাম রহমান, মৃত হাফেজ নুরুল ইসলামের পুত্র ডা. মুজিবুর রহমান, মৃত খুইল্যা মিয়ার পুত্র মৌং আবু বক্কর ছিদ্দিক সহ ৩১ জনকে বিবাদী করে আমি বাদী হয়ে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত চকরিয়া, কক্সবাজার এ অপর মোকদ্দমা দায়ের করি যার নং ৩১৮/২০২২ ইং। যা এখনো চলমান রয়েছে। আমি আমার নিজ কেনা জায়গা দখলের পায়তারাকারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে আইনি সহায়তা ও হয়রানি থেকে মুক্তি কামনা করছি।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × four =

আরও পড়ুন