শান্তি, সম্প্রীতি ও সার্বভৌমত্ব বিনষ্টের চেষ্টাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না- মে. জে. মতিউর রহমান

গুইমারা প্রতিনিধি:

শান্তি সম্প্রীতি বজায় থাকলে পার্বত্য এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বইবে। সবার উপরে দেশ। আর এই দেশের ভৌগলিক অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব বিনষ্টের চেষ্টাকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষীছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে বাইন্যাছোলা এলাকার মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান এ কথা বলেন ।

সোমবার(২৯ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেজর জেনারেল এসএম মতিউর রহমান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, ১৯৭৪ সাল থেকে শান্তি, সম্প্রীতি উন্নয়ন এই মূল মন্ত্রে সেনাবাহিনী পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে

ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম সাজেদুল ইসলাম, লক্ষীছড়ি জোন অধিনায়ক লে. কর্নেল মিজানুর রহমান, জোন টু আই সি মেজর ফেরদৌস এবং এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ উর্দ্ধতন সামরিক বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ।

বাংলাদেশ সম্প্রীতির মডেল হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিত। পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পাশাপাশি শিক্ষার প্রসারের লক্ষ্যে স্থানীয়দের সার্বিক সহযোগিতায় লক্ষীছড়ি সেনা জোনের উদ্যোগে বাইন্যাছোলা এলাকার মানিকপুরে ১ কানি ৫ ঘণ্ডা জমির উপর উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জিওসি আরো বলেন, ১৯৯৭ সালে শান্তি চুক্তির পর একটি দল পাহাড়ে শান্তি চায় না। মূলত তারাই সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারসহ অপহরণ, চাঁদাবাজি ও পর্যটকদের বাসে গুলি করেছে। প্র তিনিয়ত অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে তারা। সেনাবাহিনীই তাদের বড় বাঁধা । তাই তারা সেনা প্রশাসনকে নিয়ে সবসময়েই অপপ্রচার করে।

সেনাবাহিনী মন্দির তৈরি করে দেয়, কখনো ভাঙতে পারে না মন্তব্য করে তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা থাকলে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বন্ধ হয়ে যাবে। দুই উপজেলার মানুষ বাইন্যাছোলা মানিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন ।

এর আগে স্থানীয় জনতা ও জনপ্রতিনিধিরা ফুলের তোড়া দিয়ে প্রধান অতিথিকে বরণ করে নেয় ।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × five =

আরও পড়ুন