কুতুবদিয়ায় ৫০ বেড’র হাসপাতালে আছে মাত্র ২৫ বেড


কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড সংকটে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না রোগীরা। নামে ৫০ শয্যার হাসপাতাল হলেও ভর্তি রোগীর জন্য বেড আছে কেবিনসহ ২৫টি। ভবনে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাড়তি বেড বসানোরও সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে অধিকাংশ ভর্তি রোগীকে মেঝেতে কিংবা ব্যবস্থাপত্র নিয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
সরেজমিনে জানা যায়, এখানে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বহির্বিভাগে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০– ৪৫০ জন রোগী হয়। জরুরি বিভাগে গড়ে ভর্তি রোগী আসেন ৪০-৫০ জন। ২৫টি বেড থাকার কারণে ভর্তি হয়ে তাদের কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না এখানকার মানুষেরা।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, অন্ত:বিভাগে জেনারেল বেড রয়েছে ২১টি। দুইটি কেবিনে ৪টি। গলি, সিঁড়ির পাশসহ মোট ২৫টি বেড সুবিধা। বেড সংকটে রোগীদের মেঝেতে সীট দিতে হয়। কখনো কখানো মেঝেতেও সংকুলান না হলে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে বাড়িতে ফিরে যেতে হয়। দীর্ঘ দিন ধরেই বেড সঙ্কট চলছে উপজেলা সরকারি হাসপাতালে।
একজন রোগীর অভিভাবক শারমিন এই প্রতিবেদককে জানান, বেড খালি নেই। চিকিৎসা নিতে হবে। তাই মেঝেতেই বিছানা পেতেছি। বেশিরভাগ ঔষধ বাহির থেকে কিনে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সরকারি হাসপতালে শিশু রোগের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এখানে নেই বলে অভিযোগ তার।
হাসপতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকল অফিসার ডা. গোলাম মারুফ বলেন, জায়গা সংকটে বেড বসানো সম্ভব হচ্ছে না। অর্ধেক বেড দিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। রোগী বেশি হলে মাঝে-মধ্যে চিকিৎসাপত্র দিয়ে রোগীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হয়। এসব সংকট দূর না হলে রোগীরা সর্বোচ্চ সেবা থেকে বঞ্চিত হতে হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজাউল হাসান বলেন, হাসপাতালে বেড সংকট দীর্ঘ দিনের। মূলত জায়গা সংকটে বেড দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আলাদা আরেকটি ৩ তলা ভবন নির্মাণে প্রকল্প গ্রহণের কথা থাকলেও সেটি আটকে গেছে। নতুন ভবন না হলে পরিপূর্ণ বেড সংকটের সমাধা হবে না বলে জানান তিনি।

















