অবশেষে করোনা থাবায় ঈদগাঁও, চিকিৎসক পরিবারে কেন লকডাউন নয়!

fec-image

দেশ জুড়ে করোনার থাবা বিস্তার হচ্ছে আশংকাজনক হারে।এতদিন কক্সবাজার সদরের ঈদগাও’র বাসিন্দাদের উপর করোনা আঁচড় লাগেনি। এতে সরকার ও প্রশাসনের লকডাউন কার্যত মানেনি বৃহত্তর ঈদগাঁও’র লাখো বাসিন্দা।

বিগত কয়েকদিনে দেশ জুড়ে পাল্লা দিয়ে করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এবার সেই থাবার বিস্তার ঘটল কক্সবাজার সদরের বৃহত্তর ঈদগাঁও’র দুই ইউনিয়নে।

বিগত দুই দিনে রোগ নিরুপন পরীক্ষায় কক্সবাজার জেলায় যে সব করোনা রোগি শনাক্ত হয় এর মধ্যে দু’জন বৃহত্তর ঈদগাঁও’র বাসিন্দা ।

তাদের একজন হলেন ঈদগাঁহস্থ ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ওয়াহেদর পাড়ার বাসিন্দা, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যাপক ও দন্ত চিকিৎসক ডা. মহিম উদ্দিন এবং অন্যজন ঈদগাঁও ইউনিয়নের ভোমরিয়াঘোনার আমির সুলতানের ছেলে এডভোকেট সৈয়দ হোসেন।

এদের মধ্যে প্রথমজন মঙ্গলবার ও শেষ জন বুধবার(১৩ মে) শনাক্ত হয়। দুই জনের মধ্যে চিকিৎসক স্ব পরিবারে চট্টগ্রাম শহরে এবং অপরজন কক্সবাজার শহরে বসবাস করলেও সম্প্রতি তারা পৈত্রিক বাড়ি থেকে ঘুরে কর্মস্থলে যাওয়ার পরপরই করোনা রোগি হিসেবে শনাক্ত হয়। এতে করে তাদের পরিবার এবং প্রতিবেশিরা চরম আতংকে রয়েছে।

ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের আইসি (পরিদর্শক) মো. আসাদুজ্জামান জানান, উপজেলা প্রশাসন থেকে বুধবার(১৩ মে) শনাক্ত হওয়া সৈয়দ হোসেনের বাড়ি লকডাউনের নির্দেশনা পেয়ে প্রশাসন ইতোমধ্যে তা কার্যকর করেছেন।

কিন্তু এর পূর্বে শনাক্ত হওয়া চিকিৎসক ডা. মহিম উদ্দিনের বাসস্থলের ঠিকানা চকরিয়া এবং চট্টগ্রাম হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন থেকে ঐ চিকিৎসক রোগীর পৈত্রিক ঘর লকডাউনের নির্দেশনা পাননি তাই ঐ চিকিৎসকের ঘর এখনো লকডাউনের আওতায় আসেনি।

তবে অনেক প্রত্যক্ষদর্শী ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অতি সম্প্রতি এ চিকিৎসককে এলাকায় দেখেছে দাবি তুলে জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে ঐ ঘরও লকডাউনের আওতায় আনার জন্য উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: ঈদগাঁও, করোনাভাইরাস, লকডাউন
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × one =

আরও পড়ুন