ঘুমধুম কচুবনিয়া সড়কে অতিরিক্ত মালবাহী ট্রাক চলাচল, সংস্কারের ৬ মাসে বেহাল দশা

fec-image

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম কচুবনিয়া টু ফাত্রাঝিরি সড়কে অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তায় ফাটল ধরায় জনসাধারণের চলাচলে নানা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে দীর্ঘদিন অকেজো থাকার পর গত ৬ মাস পূর্বে মন্ত্রী বীর বাহাদুরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় কচুবনিয়া-ফাত্রাঝিরি সড়কটি সংস্কার করা হয়। সড়কটি দিয়ে সর্বোচ্চ ৫টন পণ্য পরিবহনের অনুমতি থাকলেও বর্তমানে ট্রাকে করে ৪০/৪৫ টনের অধিক ইট, বালি, রড, সিমেন্ট পরিবহন করছে নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান সিন্ডিকেট। অতিরিক্ত পণ্য আনা-নেওয়ার ফলে নতুন রাস্তাটি খানা-কন্দকে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের বাধা-নিষেধ তোয়াক্কা না করে ব্রিজ নির্মানের অজুহাতে মালামাল পরিবহন অব্যাহত রেখেছে নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান সিন্ডিকেট।

১০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কচুবনিয়া-ফাত্রাঝিরি সরু রাস্তাটি দিয়ে নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যান সিন্ডিকেটের পণ্যবোঝায় ভারী যানবাহন চলাচল অব্যাহত রয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে কয়েকমাসের মধ্যে সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়বে বলে জানান স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে ঘুমধুম ইউনিয়ন কৃষকলীগ সাধারণ সম্পাদক হেমলাল বড়ুয়া জানান, নির্মাণাধীন ব্রীজের ঠিকাদার নুর মোহাম্মদ নিজেকে রাউজান উপজেলার চেয়ারম্যান পরিচয় দিয়ে মাত্র ১০ ফিটের এ রাস্তা দিয়ে ট্রাকে করে ভারি মালামাল বহন করছে যার ফলে রাস্তাটিতে ফাটল ধরেছে।

কচুবনিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলম, জাহিদ আলম, সাবেক ইউপি সদস্য সুব্রত বড়ুয়া জানান, রাস্তাটি মুলত পথচারী, স্কুলগামী ছাত্র/ছাত্রী ও ছোট যাবাহন ব্যবহার উপযোগী তা ছাড়া রাস্তাটি ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, কচুবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরইতলী বাজারের প্রবেশদ্বার। রাস্তাটি দিয়ে অতিরিক্ত পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ না করলে অল্পদিনে রাস্তাটি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে। মুঠোফোনে সংযোগ না পাওয়ায় অভিযুক্ত ঠিকাদার নুর মোহাম্মদ চেয়ারম্যানের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘুমধুম ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বলেন এ ব্যাপারে ইউনিয়ন পরিষদে কেউ অভিযোগ করেনি, অভিযোগ পেলে অতিরিক্ত পণ্য পরিবহনের বিষয়টি চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে বলেও জানান।

ঘুমধুম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দেলোয়ার হোসেন জানান রাস্তা/ঘাট দেখভালের দায়িত্ব সওজের। এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানিনা।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

14 − 6 =

আরও পড়ুন