বান্দরবানে উ চ হ্লা ভান্তের বিরুদ্ধে বড়ুয়া সমাজ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের এন্তার অভিযোগ

xcdf5

বান্দরবান সংবাদদাতা:

বান্দরবানে উপঞঞা জোত থেরো (উ চ হ্লা ভান্তে) কর্তৃক রাজমাজিদ ক্যাং প্রতিষ্ঠার নামে বড়ুয়া সমাজের জায়গা দখল, প্রাণনাশের হুমকি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে ওই এলাকার বাসিন্দারা।
সোমবার বেলা ১১টায় বান্দরবান প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

বড়ুয়া সমাজের প্রতিনিধি পৌর কাউন্সিলর দিলীপ কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত বোমাং রাজা মং শৈ প্রু চৌধুরীর পুত্র নু মং প্রু চৌধুরী (ছোট বাবু)।

সংবাদ সম্মেলনে বড়ুয়া সমাজের প্রতিনিধিরা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে উ পঞঞা জোত থেরো (উ চ হ্লা ভান্তে) কর্তৃক তারাছা মৌজায় দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ জনসাধারণের জায়গা জবর দখল এবং জমির মালিকদের বিভিন্ন ধরণের হয়রানী ও অত্যাচার চালিয়ে আসছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালে থেকে উ চ হ্লা ভান্তে এবং তার নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তারাছা ইউনিয়নের সরকারি অধিগ্রহণভূক্ত জমি, বেসরকারি ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি, নিরীহ বড়ুয়া সমাজের বসত ভিটা এবং সেনাবাহিনীর অধিগ্রহণকৃত জায়গা জবর দখল করে রেখেছেন।

বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২০০৭ সালে যৌথবাহিনী কর্তৃক অবৈধ দখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে উচ্ছেদ টীমের প্রধান নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জিল্লুর রহমান লাঞ্চিত ও শারীরিক ভাবে অপদস্থ হয়েছিলেন। এসময় তার কয়েক শতাধিক ভাড়াটে সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোটা ও ধারালো কিরিচ নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর আক্রমণ চালায়। এসময় যৌথ বাহিনী উ চ হ্লা ভান্তের সেকেন্ড ইন কমান্ড সুভান বড়ুয়া (কালাইয়া ভান্তে) কে গ্রেফতার করে। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই অদৃশ্য শক্তির ইশারায় তিনি বেকসুর খালাস পেয়ে যান।

ক্ষতিগ্রস্ত বড়ুয়া সমাজ ও স্থানীয়রা এসময় উ চ হ্লা ভান্তে গং এর বিরুদ্ধে বান্দরবান জেলা দায়রা জজ আদালতে পৃথক ভাবে ৫টি উচ্ছেদ মামলা দায়ের করেন। মামলাগুলো হচ্ছে- ১) উচ্ছেদ ৬৫/ডি, ২) উচ্ছেদ ৬৬/ডি, ৩) উচ্ছেদ ৬৭/ডি, ৪) উচ্ছেদ ৬৮/ডি, ৫) উচ্ছেদ ১৩/ডি-২০০৮।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: অভিযোগ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − four =

আরও পড়ুন