ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে পাকিস্তান জয় পেয়েছে, দাবি মার্কিন কমিশনের


চলতি বছরের মে মাসে চার দিনের ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধে পাকিস্তান জয় পেয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কমিশন। মার্কিন কংগ্রেসে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, সংঘাতের সময় পাকিস্তান চীনা অস্ত্র ও গোয়েন্দা সহায়তা ব্যবহার করেছে, আর এটি ছিল গত ৫০ বছরের মধ্যে দুই দেশের সবচেয়ে তীব্র লড়াই।
চলতি বছর মে মাসে চার দিনের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় পাকিস্তান জয় পেয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের একটি কমিশনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এরই মধ্যে কমিশনটি তাদের এই প্রতিবেদন মার্কিন কংগ্রেসে জমা দিয়েছে। তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশন জানায়, একইসঙ্গে তারা ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং এতে চীনের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চালিয়েছে। দুই দেশের সংঘাতকে চীন নিজেদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পরীক্ষা ও প্রদর্শনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছে। সংঘাতের সময় পাকিস্তান চীনের অস্ত্রশস্ত্রের ওপর নির্ভর করেছে এবং চীনা গোয়েন্দা সহায়তা পেয়েছে– আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন আলোচনা রয়েছে। ভারতেরও একই অভিযোগ রয়েছে, তবে পাকিস্তান তা অস্বীকার করেছে।
কমিশন তাদের প্রতিবেদন মার্কিন কংগ্রেসের কাছে জমা দিয়েছে। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ এবং এতে চীনের সম্পৃক্ততা নিয়ে পর্যালোচনা করেছে কমিশন।
‘দ্য ইউএস-চায়না ইকোনোমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিউ কমিশন ২০২৫’ নামের এ সংস্থার বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ ছিল গত ৫০ বছরে দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে তীব্র লড়াই। গত এপ্রিলে ভারতের জম্মু–কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হন। এ ঘটনার পেছনে পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতা আছে দাবি করে ভারত ৭ মে দেশটিতে হামলা চালায়। এর জবাবে পাকিস্তানও পাল্টা হামলা চালায়।
এ যুদ্ধে গত ৫০ বছরের মধ্যে দুই দেশ একে অপরের ভূখণ্ডের সবচেয়ে গভীরে হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তান চীনা অস্ত্র ব্যবহার করে এ সংঘাতে সাফল্য পেয়েছে। এর মাধ্যমে চীনা অস্ত্রের কার্যকারিতাও স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়া সংঘাতের সময় পাকিস্তান চীনের দেওয়া গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। যদিও পাকিস্তান এখন পর্যন্ত বেইজিংয়ের তথ্য ব্যবহারের কথা স্বীকার করেনি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এ যুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে চীনা জে–১০ যুদ্ধবিমান, পিএল–১৫ আকাশ থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র এবং এইচকিউ–৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে পাকিস্তান। এর ফলে সরাসরি যুদ্ধে চীনা অস্ত্র পরীক্ষার সুযোগ তৈরি হয়।

















