কক্সবাজারে দুই জেলের লাশ উদ্ধার

fec-image

কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকূল আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন মৎস্য ঘেরের পাশে দুই জেলের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৭ মে) বেলা ১২ টায় উপজেলার খুরুশকূল ইউনিয়নের আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন মনুপাড়া থেকে মৃতদেহ দুইটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান, কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. রাকিবুজ্জামান।

নিহতরা হলেন-কক্সবাজার সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ার বাসিন্দা জামাল হোসেনের ছেলে আব্দুল খালেক (২৫) এবং একই এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মো. ইয়াছিন আরাফাত (২৪)। তারা দুইজনই পেশায় জেলে।

স্থানীয়দের বরাতে রাকিবুজ্জামান বলেন, সকালে সদরের খুরুশকূল ইউনিয়নের মনুপাড়ায় জনৈক শামশুল হুদার মৎস্য ঘেরের পাশে দুই ব্যক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৎস্য ঘেরের বাঁধের উপর উপুড় অবস্থায় দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। “ নিহতদের শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন না থাকলেও বৈদ্যুতিক শকের মত পোড়া ক্ষত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। “

ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে পুলিশ খোঁজখবর নিচ্ছেন বলে জানান ওসি।

খুরুশকূল ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ছিদ্দিকী বলেন, সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে মনু-পাড়াস্থ মৎস্য ঘেরের পাশে দুই যুবকের মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে পৌঁছেন। পরে তিনি বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। তবে কি কারণে মৃত্যু হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নিহতদের শরীরে বৈদ্যুতিক শকের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান স্থানীয় এ ইউপি চেয়ারম্যান।

নিহত ইয়াছিনের বাবা আবু তাহের বলেন, বৃহস্পতিবার রাত ১০ টার দিকে তার ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে রাতে সে বাড়িতে ফিরেনি। শুক্রবার সকালে সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খুঁজাখুঁজির পরও তার সন্ধান পাননি। পরে মনু-পাড়াস্থ একটি মৎস্য ঘেরের পাশে তার মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর দেয় স্থানীয়রা। কারা, কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানেন না তিনি।

নিহতের স্বজনরা বলছেন, নিহতরা পেশায় জেলে। তাদের সাথে কারও পূর্ব শত্রুতা ছিল না। তাঁদের শরীরে মারধর ও বৈদ্যুতিক শকের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি স্বজনদের।

নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান ওসি মে. রাকিবুজ্জামান।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: লাশ উদ্ধার
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও পড়ুন