কক্সবাজারে তীব্র লোডশেডিং : গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন
কক্সবাজার প্রতিনিধি:
তীব্র গরমে অতিষ্ঠ কক্সবাজারের জনজীবন। প্রচণ্ড তাপদাহ, ভাপসা গরম এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে লোডশেডিং। এই অবস্থায় তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের সাধারণ মানুষের জনজীবন।
গত ৩ দিন ধরে জেলার গ্রামাঞ্চলের মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রায় গরমের তীব্রতা বেড়ে চলছে। আবহাওয়ার বিরূপতায় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আগামী তিন-চার দিন গরমের মাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
এদিকে সৈকত নগরীতে গরমের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। মাঠে-ঘাটে রোদের খরতাপে যারা কাজ করছেন, একটু পরিশ্রমেই তারা হাঁপিয়ে উঠছেন। একটুখানি ছায়ার খোঁজে দৌড়ঝাঁপ করছেন। রোদের মধ্যে নির্মাণ কাজে নিয়োজিত শ্রমিক, ব্যাটারীচালিত রিক্সাচালকসহ অন্যান্য দিনমজুর শ্রেণীর মানুষের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। যাদের সামর্থ আছে তারা পারতপক্ষে ঘর থেকে বাইরে যাচ্ছেন না।
এদিকে তীব্র গরমের কারণে রাতের পাশাপাশি দিনেরবেলাতেও বিদ্যুৎ এর তীব্র লোডশেডিং চলছে কক্সবাজারে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরো চরমে পৌঁছেছে। জানা গেছে, জেলায় বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ খুবই কম। সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু বিদ্যূৎ সরবরাহ করা হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। ফলে প্রতিনিয়তে সাধারণ গ্রাহকদের দিন দিন চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
এবিষয়ে কক্সবাজারের মানবাধিকার নেতা শাহজাহান চৌধুরী শাহীন বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের একশ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ফাইভ স্টার হোটেল, আইসক্রীম ফ্যাক্টরীসহ বিভিন্ন ফ্যাক্টরী ও ইজি বাইক মালিকদের কাছ থেকে মাসিক হারে মোট অংকের টাকা নিয়ে তাদেরকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রদান করে আসছে।
অথচ প্রতিদিন সন্ধ্যার পরে শহরে ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিংয়ের কারণে অতিষ্ট জনজীবন। একদিকে যেমন ছেলে-মেয়েদর লেখা পড়ার ভীষণ ক্ষতি, অন্যদিকে সাধারণ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। যদি এই সমস্যা সমাধান করা হয়, তবে কক্সবাজার জেলার সকল জনসাধারণ উপকৃত হবে।



















