বান্দরবানে মাছের কৃত্রিম প্রজনন প্রকল্প উদ্বোধন

Bandarban Fish 18

নিজস্ব প্রতিবেদক:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি বলেছেন, মাছ শিশু থেকে বৃদ্ধা পর্যন্ত সকলের দেহে পুষ্টির যোগান দেয়। পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে ছড়া, ক্রীক ও গিরিখাদে এবং পতিত জমিতে জলাষয় সৃষ্টি করে মাছ চাষ করে দেশের চাহিদার যোগন বৃদ্ধি করতে হবে। দেশীয় খালে বিলে বিলুপ্তির পথে ছোট বড় মা মাছ সংরক্ষন করে প্রজননের মাধ্যমে বৃদ্ধি করতে হবে। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার মাঝের পাড়া মিনি মৎস হ্যাচারিতে কৃক্রিম প্রজননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস চাষ উন্নয়ন ও সম্প্রসারন প্রকল্পের আওতায় মাছের কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম (তৃতীয় পর্যায়) শুরু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় এ প্রজনন কার্যক্রমে এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ক্য শৈহ্লা, জেলা প্রশাসক কে এম তারিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার দেবদাস ভট্টাচার্য্য। মৎস অধিদফতর চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক এ কে এম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্য সদর উপজেলা কর্মকর্তা আমীর আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ মঞ্জুরুল করিম, জেলা কৃষি কর্মকর্তা আবুল কালাম, প্রকল্প পরিচালক াব্দিুল হান্নান, উপ-প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহমান, সদর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা জিয়া উদ্দিন, বান্দরবান প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক ওসমান গনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যশৈহ্লা বলেন, এই কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে পার্বত্যাঞ্চলের মৎস চাষিদের পোনা সংকট কেটে যাওয়ার পাশাপাশি জেলার মৎস চাষ বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।  
উপ-প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহমান বলেন,এ মিনি মৎস হ্যাচারিতে প্রতি বৎসরে ২৫ কেজী রেণু থেকে ১০-১২ লাখ মাছের পোনা হবে। এদিয়ে জেলা চাহিদা মেঠানো সম্ভব হবে। কিন্তু হ্যাচারিতে পর্যাপ্ত পুকুর না থাকায় রেণু সংরক্ষণ সম্ভব হবে না। এ হ্যাচারীতে কাতাল, স্বরপুঠি, গ্লাসকাব ও মৃগাল মাছের রেণু উৎপন্ন করা হবে।

Print Friendly, PDF & Email
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

12 − nine =

আরও পড়ুন