নাইক্ষ্যংছড়িতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা: ছাত্র পক্ষের দাবি ষড়যন্ত্র


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্র শ্রীঘরে এবং ছাত্রী রয়েছে পুলিশ হেফাজতে।
ঘটনাটি শনিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় হলেও থানায় মামলা হয় রবিবার (২১ আগস্ট) বিকেলে।
ছাত্রীর পিতা ও মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, ঘটনার দিন আসামি নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের আশারতলী গ্রামের নিজ বাড়িতে গিয়ে তার মেয়েকে জোর করে ধর্ষণ করে। তার মেয়ে ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। সে স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়ে। এ বিষয়ে তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে।
অপর দিকে মামলার আসামি ছাত্র মো. তমরান হোসেন (১৫) এর পিতা ফরিদুল আলম জানান, তার ছেলে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র। সে নিরীহ। তার ছেলেসহ ৩ জনকে ঘটনার দিন সেই কথিত ছাত্রী ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় আশারতলীতে। তখন বিকেল বেলা। ছাত্রীর মা কৌশলে অন্যত্র অবস্থান করে নিজ বাড়িতে মেয়েটিকে একা রেখে অপেক্ষা করতে থাকে। ঠিক এমন অবস্থায় মেয়ের পিতা শাহ আলম তার ছেলেকে আটকিয়ে রেখে পুলিশে দেয়। যার প্রমাণ সে ৩ বন্ধুর মধ্যে জাহেদ ও বাপ্পিকে জেরা করলে প্রমাণ মিলবে। এ ছাড়া ডিএনএ টেস্টের পর সব সত্য বেরিয়ে আসবে। তিনি তার নির্দোষ ও ষড়যন্ত্রের স্বীকার শিশু সন্তান তমরান হোসেনের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে মামলার আইও ধীমান বড়ুয়া জানান, ‘অভিযোগ পাওয়ায় মামলা হয়েছে। তদন্ত করে সব খুঁটিনাটি বের করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু আসামির বয়স ১৫/১৬ বছর, সেহেতু সব কিছু যাচাই-বাছাই করে সত্য বের করেই পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’

















