রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেনা সদস্যদের তৎপরতা

fec-image

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির সমূহ। গত দুই দিনে সেখানে তিনজন রোহিঙ্গার করোনা পজিটিভ হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ক্যাম্প এবং স্থানীয়দের মাঝে।

এ পরিস্থিতিতে উখিয়া ও টেকনাফ এলাকায় ১১ লক্ষ মিয়ানমার নাগরিকদের ৩৪টি ক্যাম্পে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশনের সেনা সদস্যরা।

অবশ্য করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার আগে থেকেই সেনা সদস্যরা সচেতনতামূলক তৎপরতা পরিচালনা করে আসছেন। করোনা রোধে ক্যাম্পে সামাজিক দূরত্ব, লকডাউন নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর টহল ও চেকপোস্টের কার্যক্রম বহুগুনে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রবেশদ্বার উখিয়াতে ডিজইনফেকশন বুথ স্থাপন করে সকল গাড়ি জীবাণুমুক্ত করে প্রবেশ করানো হচ্ছে ।

ইতোমধ্যে করোনা আক্রান্ত রোহিঙ্গাদের সংস্পর্শে আসা পরিবার ও অন্যান্য ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিতসহ জায়গাগুলো লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা রোহিঙ্গাদের লকডাউনের আওতায় আনাহয়েছে। সংক্রমণ রোধে ইতোমধ্যে ওই ব্লকের ১হাজার ২৭৫ টি শেড রেড মার্ক করে লাল পতাকা দিয়ে লকডাউন করা হয়েছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের প্রবেশদ্বারে উখিয়াতে ডিজইনফেকশন বুথের মাধ্যমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বহনকারী ছোট বড় সকল যানবাহনসমূহকে জীবাণুমুক্ত করা হচ্ছে।

প্রত্যেক গাড়ীর বারকোড স্ক্যান করে শুধুমাত্র আরআরআরসির অনুমতিপত্র সাপেক্ষে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন সেনাসদস্যরা।

সেনাসদস্যরা ক্যাম্পসমূহে মাইকিং করে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সম্যক জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিনা প্রয়োজনে ক্যাম্প থেকে বের না হতে সকলকে অনুরোধ জানাচ্ছেন।

বেশি বেশি হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ করছেন তারা।ক্যাম্পে আতঙ্ক না ছড়িয়ে সকলকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন সেনা সদস্যরা।

Print Friendly, PDF & Email
ঘটনাপ্রবাহ: উখিয়া, করোনাভাইরাস, টেকনাফ
Facebook Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seventeen + 11 =

আরও পড়ুন