ঋতুপর্ণা চাকমা ও সাগরিকার গোলে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ


টানটান উত্তেজনাপূর্ণ সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সেমিফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পর অবিশ্বাস্য গোলে সমতা ফেরালেন ঋতুপর্ণা চাকমা। ম্যাচের যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে উল্লাসে ভাসালেন সাগরিকা। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠে গেল বাংলাদেশ। এই নিয়ে টানা তৃতীয়বার নারী সাফের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ নারী দল।
গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে বুধবার আসরের প্রথম সেমি-ফাইনালে বাংলাদেশের জয় ২-১ গোলে।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরু থেকেই বেশ ছন্নছাড়া ছিল বাংলাদেশ। সেই সুযোগে ম্যাচের ২৩তম মিনিটে লিড নেয় নেপাল। দীপা শাহির নেওয়া কর্নার কিক থেকে গোল করে নেপালিদের এগিয়ে নেন গীতা রানি। ৩৬তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় লাল-সবুজ শিবির। নেপালের প্রীতি রাজের একটি দূরপাল্লার জোরালো শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হয়।
পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। অবশেষে বিরতির বাঁশি বাজার ঠিক আগমুহূর্তে অবিশ্বাস্য এক গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। কর্নার কিক থেকে সরাসরি বাঁকানো শটে নেপালের জালে বল পাঠিয়ে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি।
বিরতির পর দুই দলই জয়ের নেশায় মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বাঁচে বাংলাদেশ। নেপালের রেখা গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে গেলে আবারও রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাগরিকা। তবে নেপাল অধিনায়ক গোলকিপার সুব্বা লাফিয়ে উঠে ঘুষি মেরে সাগরিকার শটটি ফিরিয়ে দেন।
















