‘রোহিঙ্গাদেরকেও তাদের লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে’


রোহিঙ্গা বিষয়ক গবেষক অবসরপ্রাপ্ত ব্রি. জে. হাসান মো. শামসুদ্দীন তাঁর রোহিঙ্গা-রাখাইন সহবস্থান নিশ্চিতে আরাকান আর্মিকে উদ্যোগী হতে হবে শীর্ষক প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, ‘রোহিঙ্গাদেরকেও তাদের লক্ষ্য অর্জনে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাদের মধ্যেকার নেতৃত্বের শূন্যতা পুরন করে রাখাইনে তাদের লক্ষ্য অর্জন অর্থাৎ তাদের নিজ বাসভূমে ফিরে যাওয়া এবং সেখানে শান্তিপূর্ণ সহবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, ‘আরাকান আর্মির সাথে তাদের যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে ও আলোচনার মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে। এই সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নিয়োজিত সকল স্টেকহোল্ডারদেরকে সহায়তা ও সুযোগ করে দিতে হবে। একই সাথে বাংলাদেশ ও রাখাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদেরকেও তাদের নিজ দেশে অধিকার বুঝে নেয়ার জন্য প্রস্তুতি নেয়া, এন ইউ জি, আরাকান আর্মি এবং মিয়ানমারের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা চালিয়ে যেতে হবে। এর পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কাজ করে যাওয়া জাতিসংঘ ও অন্যান্য সকল স্টেকহোল্ডারদের সাথেও তাদের যোগাযোগ বাড়াতে হবে।’
উল্লেখ্য, রোহিঙ্গা শরণার্থী হলো মিয়ানমারের একটি রাজ্যবিহীন জনগোষ্ঠী, যারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ধর্মীয় ও জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। ২০১৭ সালে সহিংস হামলার শিকার হয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে, যা একটি নজিরবিহীন মানবিক সংকটের সৃষ্টি করে। তারা মূলত কুতুপালং ও নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরের মতো বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিশাল ক্যাম্পে বসবাস করছে।

















