গুইমারা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের ভবন ভাঙার অভিযোগ ওয়ার্ড বিএনপির বিরুদ্ধে


সম্প্রতি খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে অবস্থিত শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের একটি পরিত্যক্ত অফিস ভবন ভাঙার অভিযোগ উঠেছে একই ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ইদ্রিস ও সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেনের বিরুদ্ধে। ভবন ভাঙার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আলোচনা ও সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছে। ভবনটি ভেঙে ইট, টিনসহ বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান-এর স্মৃতিকে কেন্দ্র করে ২০০২ সালে মুসলিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় অফিস ভবনটি নির্মিত হয়। এখান থেকে ৫নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের চারপাশে সিমানা প্রাচির নির্মান করায় ভবনটি সিমানা প্রচিরের ভীতরে পড়ে যায় ,ফলে চলমান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এতে কার্যত ভবনটি অনেকটা পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে বলে জানা যায়।
ঘটনায় অভিযুক্ত ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. ইদ্রিস ও সাধারণ সম্পাদক নবী হোসেনের একাদিক বার মুঠো ফোনে কল করা হলেও কেউ রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য ন্য়ো সম্ভব হয়নি। তবে গুইমারা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম সোহাগ জানান, বিষয়টি নির্বাচন পরবর্তী তিনি অবগত হয়েছেন। এ নিয়ে গুইমারা ইউনিয়ন ও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অভিযুক্তরা তাদের ভুল স্বীকার করেছেন এবং নেতৃবৃন্দদের সিদ্ধন্ত মোতাবেক আগামী ৩ মাসের মধ্যে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হিসেবে পরিশোধ করার কথা রয়েছে। তবে অফিস ভবনটি স্কুলের জায়গায় নির্মান হওয়ায় তা সরিয়ে নিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ঠদের জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সদস্য ইব্রাহিম শেখ জানান, বিষয়টি অবগত হয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এসময় তিনি ভবনের কিছু অংশ ভাঙা অবস্থায় দেখে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন। ঘটনা তদন্দ ও সত্যতা পাওয়া সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে সংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে জেলা বিএনপির হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

















